দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বাবনা পয়েন্টে পুলিশকে এক যুবকের ঘুষি দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা গেছে, কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কিছু ব্যক্তি তর্কাতর্কি করছেন। তখন হঠাৎ উদোম শরীরের এক যুবক একজন পুলিশ সদস্যের কানে জোরে ঘুষি দেন।

গত সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওটির অংশবিশেষ ভাইরাল হয়েছে। মূলত এক পিকআপ ভ্যানের চালক রাত দুইটার দিকে নগরের সুবিদবাজার এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় সেখানে তল্লাশিচৌকিতে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা ওই চালককে থামার নির্দেশ দেন। তবে নির্দেশনা অমান্য করে চালক দ্রুত পিকআপ নিয়ে রিকাবিবাজারমুখী সড়ক ধরে চলে যান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুবিদবাজারে তল্লাশিচৌকিতে দায়িত্বরত এক সার্জেন্ট ওয়ারলেস বার্তায় জানান যে এক পিকআপচালককে থামার নির্দেশনা দেওয়া হলেও তিনি থামেননি। এ সময় তিনি ওই চালককে ছিনতাইকারী হিসেবে সন্দেহ করেন। বার্তা পাওয়ার পর সুবিদবাজার এলাকায় দায়িত্বরত সার্জেন্ট পিকআপটির পিছু নেন। বার্তা পেয়ে রাস্তায় কয়েকটি স্থানে টহলরত পুলিশ পিকআপচালককে থামার নির্দেশনা দিলেও চালক থামেননি। পরে দক্ষিণ সুরমার বাবনা পয়েন্টে চালক থামেন। সেখানে সার্জেন্টও থামেন এবং তাঁকে ছিনতাইকারী হিসেবে উপস্থিত জনসাধারণের সামনে সন্দেহ প্রকাশ করেন। সার্জেন্টের কথায় উপস্থিত লোকজন পিকআপচালককে বেধড়ক মারধর করেন।

মারধরের এক পর্যায়ে লোকজন জানতে পারেন, ওই যুবক ছিনতাইকারী নন, পিকআপচালক। এ সময় স্থানীয় পরিবহননেতারা এসে পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হন। এমন সময় যুবকটি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা আরেক পুলিশ সদস্যের কানে ঘুষি দেন। এর কিছুক্ষণ পর যুবকটি বমি করতে শুরু করেন। রাত তিনটার দিকে ওই চালককে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

মো. জুয়েল মিয়া (৩০) নামের ওই পিকআপচালক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা এলাকায়।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) মো. রিয়াদুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো আইনি ব্যবস্থা এখনো নেওয়া হয়নি। প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করছি। বর্তমানে ওই যুবক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

আমের মৌসুমের শুরুতেই রাজশাহী অঞ্চলে আশাব্যঞ্জক চিত্র দেখা যাচ্ছে। মার্চের প্রথম সপ্তাহেই বিভিন্ন বাগানে আমের গুটির দেখা মিলেছে। প্রায় সব গাছে মুকুল আসায় এবার ভালো ফলনের আশা করছেন চাষিরা। তবে ভোরের কুয়াশা এবং আবহাওয়ার ওঠানামা নিয়ে কিছুটা শঙ্কাও রয়েছে বাগানমালিকদের মধ্যে।

কৃষি বিভাগ ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলে আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কারণ এবার অধিকাংশ গাছেই একসঙ্গে মুকুল এসেছে। অনেক গাছে ইতোমধ্যে মুকুল থেকে ছোট ছোট গুটি তৈরি হতে শুরু করেছে। এই গুটি বড় হয়ে ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ আমে পরিণত হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও নাটোর–এই চার জেলায় মোট ৯২ হাজার ৫৫২ হেক্টর জমিতে আম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব বাগানে প্রায় ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার ৫৫৪টি আমগাছ রয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ টন।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও পবা উপজেলার বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গেছে, অনেক গাছে ইতোমধ্যে আমের ছোট ছোট গুটি দেখা যাচ্ছে। আবার কিছু গাছে এখনো মুকুল রয়েছে।

পবা উপজেলার বালানগর গ্রামের আমচাষি শামীম আখতার বলেন, ‘এবার আমাদের সব গাছেই মুকুল এসেছে। অনেক গাছে এখনো মুকুল রয়েছে, আবার কিছু গাছে গুটি দেখা যাচ্ছে। ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘গত বছর আমের দাম খুব একটা ভালো পাওয়া যায়নি। ফলে চাষিরা কিছুটা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। ফলন ভালো হলেও বাজারদর কেমন হবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।’

বাঘা উপজেলার আম উৎপাদক শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রপ্তানিকারকদের জন্য আম সরবরাহ করে আসছেন। তিনি জানান, এবার বাগানের চিত্র বেশ আশাব্যঞ্জক। এবার প্রায় সব গাছেই মুকুল এসেছে। অনেক গাছে গুটিও দেখা যাচ্ছে। তবে ভোরের দিকে কুয়াশা হচ্ছে। এই কুয়াশা যদি বেশিদিন থাকে, তাহলে মুকুলের ক্ষতি হতে পারে।

একই উপজেলার আরেক বাগান মালিক সোহেল রানা জানান, আমার প্রায় ২০০ বিঘা জমির বাগানে শতভাগ গাছে মুকুল এসেছে। আমি সারা বছর গাছের যত্ন নিই। এবার প্রায় সব গাছে একসঙ্গে মুকুল এসেছে। কিছু গাছে ইতোমধ্যে গুটিও দেখা যাচ্ছে। এখন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছি।

তবে এ সময় বাগানে হপার পোকার আক্রমণও দেখা যাচ্ছে বলে জানান চাষিরা। হপার পোকা সাধারণত আমের মুকুলে আক্রমণ করে এবং মুকুল ঝরে পড়ার কারণ হতে পারে। তাই অনেক বাগানমালিক কীটনাশক ব্যবহার করে পোকা দমনের চেষ্টা করছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্ততরের রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান বলেন, ‘সাধারণত আমগাছে এক বছর বেশি ফলন এবং পরের বছর তুলনামূলক কম ফলন হয়, যাকে ‘অন ইয়ার’ ও ‘অফ ইয়ার’ বলা হয়। সাধারণত প্রায় ২০ শতাংশ গাছে এক বছর পর পর ফল আসে। তবে এবার অনেকটা ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। প্রায় সব গাছেই মুকুল এসেছে, যা ভালো ফলনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

তিনি আরও জানান, যেসব গাছে গত বছর প্রচুর ফল ধরেছিল, সেসব গাছে এবার তুলনামূলক কম ফল ধরতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে ফলনের তারতম্য খুব বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি, পরাগায়ন, রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ–এসব বিষয় ফলনের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আম মূলত গ্রীষ্মকালীন ফল এবং এটি তুলনামূলক উষ্ণ আবহাওয়া পছন্দ করে।’

তিনি বলেন, ‘মুকুল ও গুটি আসার সময়ের আদর্শ তাপমাত্রা সাধারণত ১৫ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু বর্তমানে দিনের তাপমাত্রা প্রায় ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যাচ্ছে, আবার রাতে তা নেমে যাচ্ছে ১৩ ডিগ্রির কাছাকাছি। এই তাপমাত্রার ওঠানামা মুকুলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদি তাপমাত্রা খুব দ্রুত বাড়ে কিংবা কুয়াশা দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়, তাহলে মুকুল ঝরে পড়ার আশঙ্কা থাকে।’

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ও জেলা শাখার উদ্যোগে এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) রাজশাহী মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের কল্যাণ ও চিকিৎসক সমাজের মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. মো. ওয়াসিম হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন ডা. মনোয়ার তারিক সাবুর। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. মোফাখখারুল ইসলাম ও ডা. এ কে এম গোলাম কিবরিয়া ডন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ড্যাবের কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. সুমন নাজমুল হোসেন, ড্যাবের অন্যতম সহ সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ডা. হাসনুল আলম শামীম, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. শাহ মো. শাহজাহান আলি, যুগ্ম মহাসচিব ডা. শহিদুল হক রাহাত ও যুগ্ম মহাসচিব ডা. আতিকুর রহমান সুজন।

আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. বাছেদুর রহমান সোহেল, রাজশাহী সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আরাফাত রহমান পাভেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এস এম শাহরিয়ার রিজভী, ডা. মোসলেহ উদ্দিন রাসেল, কেন্দ্রীয় সহ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মইনুল ইসলাম রাব্বি, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক ডা. নাভিদ মোস্তাক, সহ ডক্টরস ওয়েল ফেয়ার সম্পাদক ডা. নাজমুল আহমেদ রনি, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. এরশাদ আহসান সোহেল ও ডা. শহিদুল ইসলাম রবিন।

উপস্থিত ছিলেন চাঁপাই নবাবগঞ্জ ড্যাবের সভাপতি ডা. ময়েজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ডা. নাসির উদ্দিন, নাটোর ড্যাবের ডা. তৈমুর, ডা. ফারজানা দৃষ্টি, পাবনা মেডিকেল কলেজ ড্যাবের ডা. খন্দকার মেহেদী ইবনে মুস্তফা, ডা. শামসুল আলম, ডা. মানিক, ডা. তানিয়া।

আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. রইচ উদ্দিন ডন, ডা. মুকুট, অধ্যাপক ডা. মো. আবুল হাই, অধ্যাপক ডা. হেলাল, ড্যাবের ডা. হাসিবুল, ডা. মাহবুবুর রহমান লাবু, ডা. কবির, ডা. সাঈদ সিদ্দিকী জনি, ডা. ফারহান ইমতিয়াজ, ডা. সুমন রেজা, ডা. সামিউল হাসান মিলার, ডা. মুহাম্মদ মাহমুদুল হক অনিক, ডা. আশফাক, ডা. মাহবুবুল ইসলাম জনি, ডা. ফজলুল হক নয়ন, ডা. ইফতেখার আলম মাসুম, ডা. মোফাখাইয়রুল ইসলাম কিংশুক, ডা. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, ডা. প্রিন্স, ডা. মাহকামাম, ডা. রনি, ডা. ইকবাল, ডা. নুর, ডা. জুবায়ের।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক, সিভিল সার্জনসহ কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত শিক্ষক, চিকিৎসকবৃন্দ।ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ও জেলা শাখার উদ্যোগে এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) রাজশাহী মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের কল্যাণ ও চিকিৎসক সমাজের মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. মো. ওয়াসিম হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন ডা. মনোয়ার তারিক সাবুর। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. মোফাখখারুল ইসলাম ও ডা. এ কে এম গোলাম কিবরিয়া ডন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ড্যাবের কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. সুমন নাজমুল হোসেন, ড্যাবের অন্যতম সহ সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ডা. হাসনুল আলম শামীম, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. শাহ মো. শাহজাহান আলি, যুগ্ম মহাসচিব ডা. শহিদুল হক রাহাত ও যুগ্ম মহাসচিব ডা. আতিকুর রহমান সুজন।

আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. বাছেদুর রহমান সোহেল, রাজশাহী সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আরাফাত রহমান পাভেল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এস এম শাহরিয়ার রিজভী, ডা. মোসলেহ উদ্দিন রাসেল, কেন্দ্রীয় সহ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মইনুল ইসলাম রাব্বি, সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক ডা. নাভিদ মোস্তাক, সহ ডক্টরস ওয়েল ফেয়ার সম্পাদক ডা. নাজমুল আহমেদ রনি, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. এরশাদ আহসান সোহেল ও ডা. শহিদুল ইসলাম রবিন।

উপস্থিত ছিলেন চাঁপাই নবাবগঞ্জ ড্যাবের সভাপতি ডা. ময়েজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ডা. নাসির উদ্দিন, নাটোর ড্যাবের ডা. তৈমুর, ডা. ফারজানা দৃষ্টি, পাবনা মেডিকেল কলেজ ড্যাবের ডা. খন্দকার মেহেদী ইবনে মুস্তফা, ডা. শামসুল আলম, ডা. মানিক, ডা. তানিয়া।

আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. রইচ উদ্দিন ডন, ডা. মুকুট, অধ্যাপক ডা. মো. আবুল হাই, অধ্যাপক ডা. হেলাল, ড্যাবের ডা. হাসিবুল, ডা. মাহবুবুর রহমান লাবু, ডা. কবির, ডা. সাঈদ সিদ্দিকী জনি, ডা. ফারহান ইমতিয়াজ, ডা. সুমন রেজা, ডা. সামিউল হাসান মিলার, ডা. মুহাম্মদ মাহমুদুল হক অনিক, ডা. আশফাক, ডা. মাহবুবুল ইসলাম জনি, ডা. ফজলুল হক নয়ন, ডা. ইফতেখার আলম মাসুম, ডা. মোফাখাইয়রুল ইসলাম কিংশুক, ডা. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, ডা. প্রিন্স, ডা. মাহকামাম, ডা. রনি, ডা. ইকবাল, ডা. নুর, ডা. জুবায়ের।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, হাসপাতালের পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক, সিভিল সার্জনসহ কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত শিক্ষক, চিকিৎসকবৃন্দ।

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

পবিত্র রমজান উপলক্ষে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুর দেশের প্রতিটি জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে রংপুরে এই বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। জেলার আটটি উপজেলায় খেজুর বরাদ্দ দেয়া হলেও রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার হতদরিদ্ররা এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া। জানা গেছে, ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’-এর দেয়া ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের অংশ হিসেবে রংপুর জেলা ২০১ কেজি খেজুর বরাদ্দ পেয়েছে।

বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ

জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া জানান, জেলার জন্য বরাদ্দ করা খেজুর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে প্রতিটি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানায় এসব খেজুর বিতরণ করা হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক নিজেও মাদরাসা ও এতিমখানায় এই খেজুর বিতরণ করবেন।

এদিকে জেলার আটটি উপজেলা খেজুর বরাদ্দ পেলেও সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো বরাদ্দ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় হতদরিদ্ররা। তাদের অভিযোগ, রংপুর সিটির মধ্যে কি শুধু ধনীরা বসবাস করেন? এখানেও অনেক দরিদ্র মানুষ রয়েছেন। সিটির ভেতরেও অনেক মাদরাসা ও এতিমখানা রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানেরও তো এই বরাদ্দে হক রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য

এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর রংপুর জেলা সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, ‘খেজুর আসার বিষয়টি খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এই উদ্যোগের পরিসর আরও বড় হলে ভালো হতো। জেলার অন্যান্য উপজেলায় বরাদ্দ দেয়া হলে সিটির মধ্যেও বরাদ্দ হওয়া উচিত।’
অন্যদিকে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম জানান, এই খেজুর দেশের প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের আলাদা করে কিংবা নির্দিষ্টভাবে সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য কোনো খেজুর পাঠানো হয়নি। তাই আমরা কোনো খেজুর পাইনি।’

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনায় রংপুর অঞ্চলের জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পবিত্র রমজান উপলক্ষে আজ রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে রংপুরের বিভিন্ন স্তরের কৃষিবিদ ও পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রাশেদুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের কৃষি বিপ্লবের সূচনা এবং গ্রামীণ অর্থনীতি পুনর্গঠনে শহীদ জিয়াউর রহমানের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পরকালীন শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ড. রাশেদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং সরাসরি প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্তকে তিনি যুগান্তকারী অভিহিত করেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, এই ডিজিটাল ব্যবস্থাগুলো চালুর ফলে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং এখানে কৃষিবিদদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার ও কারিগরি পরামর্শ দেওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

উপাচার্য বলেন, দেশ পুনর্গঠনের এই মহাযজ্ঞে কৃষিবিদদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না। আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপ সফল করতে তিনি সকল পর্যায়ের কৃষিবিদদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার এবং দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় বাসচাপায় আব্দুল মান্নান তালুকদার (৪৫) নামের এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিব নিহত হয়েছেন। উপজেলা পরিষদ থেকে দাপ্তরিক কাজ শেষে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে ময়মনসিংহ-ফুলপুর সড়কের মধুপুর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মান্নান তারাকান্দা উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের বারইপাড়া এলাকার মৃত মমতাজ তালুকদারের ছেলে। তিনি বিসকা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে তারাকান্দা উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে নিজ কর্মস্থল বিসকা ইউনিয়ন পরিষদে ফিরছিলেন আব্দুল মান্নান। পথে ময়মনসিংহ-ফুলপুর সড়কের মধুপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা শেরপুরগামী একটি বাস তার মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে তারাকান্দা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বারেক মিয়া বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ সুরতহাল শেষে মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই সফরে তিনি ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও রাজধানীর উত্তরায় জনসভায় ভাষণ দেবেন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুল সাত্তার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তারেক রহমানের এই নির্বাচনী সফরের সময় সূচির বিষয়ে জানান।

তিনি জানান, মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।

ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় গাজীপুর জেলা শহরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর উত্তরার আজমপুর ঈদগাহ মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন। কর্মসূচি শেষে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন।

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস প্রক্রিয়ায় রয়েছে জ্বালানি তেল গ্যাস ও কেমিক্যালের ১০টি জাহাজ। এর মধ্যে চারটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), তিনটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি ডিজেল এবং একটি বেইজ অয়েল জাহাজ।

এর মধ্যে বহির্নোঙরে এবং বন্দরের ডলফিন জেটিতে পাঁচটি জাহাজ খালাসরত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বন্দরের মুখপাত্র সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ গ্যাস, কেমিক্যাল, ক্রুড এবং ফার্নেস অয়েলের আটটি জাহাজ খালাস করা হয়েছে। এর মধ্যে কাতার থেকে আমদানি করা দুটি এলএনজি জাহাজ, মালয়েশিয়া থেকে আসা একটি এলপিজিবাহী জাহাজ, দুবাই থেকে আমদানি হওয়ায় একটি এমইজি (মনো-ইথিলিন গ্লাইকল) কেমিক্যাল, সিঙ্গাপুর থেকে আসা দুটি ফার্নেস অয়েলের জাহাজ, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসা একটি ক্রুড অয়েল এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা ডিজেলবাহী একটি জাহাজ রয়েছে।

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে জারি করা রুল খারিজের হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।

এর ফলে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল
(এনসিটি) পরিচালনায় বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিতে কোনো বাধা থাকলো না।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।

গত বছরের ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলে দ্বিধা বিভক্ত রায় দেন হাইকোর্ট। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফাতেমা নজীব চুক্তি প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করেন। বেঞ্চের জুনিয়র বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার রিট খারিজ করে চুক্তি প্রক্রিয়া বৈধ ঘোষণা করেন।

পরে নিয়মানুযায়ী প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি জাফর আহমেদের একক বেঞ্চে পাঠানো হয়।

গত ২৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়ার বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়। একইসঙ্গে আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

এর আগে গত ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির চলমান প্রক্রিয়া কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দেন হাইকোর্ট।

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

সৌদি আরব থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুর বরাদ্দ নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্যের পর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার খেজুর বরাদ্দের তালিকা সামনে আসতে শুরু করে এবং কোথায় কত কার্টন খেজুর গেছে তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়। একই সঙ্গে বরাদ্দের পরিমাণ, বণ্টনের স্বচ্ছতা এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে এসব খেজুর পৌঁছাচ্ছে কি না, এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন মো. ছাইফুল্লাহ মজুমদার ঢাকা পোস্টকে জানান, চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়িতে ৩৯ কার্টন, আনোয়ারায় ২৫ কার্টন, হাটহাজারীতে ৩৫ কার্টন, পটিয়ায় ৩৭ কার্টন এবং সীতাকুণ্ডে ২৫ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সন্দ্বীপে ৩৭ কার্টন, মীরসরাইয়ে ৩৭ কার্টন, রাঙ্গুনিয়ায় ৩৫ কার্টন, বোয়ালখালীতে ২৫ কার্টন, রাউজানে ৩৫ কার্টন এবং চন্দনাইশে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী বাঁশখালীতে ৩৭ কার্টন, লোহাগাড়ায় ২৫ কার্টন, সাতকানিয়ায় ৩৭ কার্টন, কর্ণফুলীতে ১৫ কার্টন এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের বাদশাহ প্রতিষ্ঠিত ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ২৫০ কার্টন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গত ৫ মার্চ সংশোধিত এক আদেশের মাধ্যমে এই বরাদ্দ চূড়ান্ত করে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে পাঠিয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাত ও ইউনিয়নের সংখ্যা বিবেচনা করে এই খেজুর বণ্টন করা হয়েছে বলে সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।