TT Ads

অনলাইন ডেস্ক

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) উপপরিদর্শক (এসআই) বশিরকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘবছর আগে কাউনিয়া থানায় দায়িত্ব পালনকালে এক ব্যক্তিকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এসআই বশিরের দাবি, চাকরিতে যোগদানের পর থেকে তিনি কারও কাছ থেকে কোনো ধরনের অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেননি। কাউকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের সঙ্গেও তিনি জড়িত নন। সম্প্রতি তাকে জড়িয়ে যেসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর।

তিনি বলেন, চাকরিতে যোগদানের পর থেকে আমি কারও কাছ থেকে কোনো ধরনের অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করিনি। কাউকে মাদক মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থও আদায় করিনি। আমার বিরুদ্ধে যেসব বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন স্যারদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

জানা গেছে, এসআই বশির গত ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বিএমপির হেডকোয়ার্টারে আরও-১ (RO-1) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তাকে অন্য কর্মস্থলে বদলি করা হয়।

এসআই বশিরের অভিযোগ, ওই দায়িত্ব পালনের পর থেকেই একটি মহল তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে হয়রানি করছে। তার দাবি, পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়মকানুন অনুসরণ এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে থাকতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আরও-১ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় এসআই বশির নিয়মকানুন মেনে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেন। এ সময় দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু অনিয়ম ও অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা সীমিত হয়ে পড়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এর জেরে কেউ কেউ তার বিরুদ্ধে নেতিবাচক তথ্য ছড়িয়ে থাকতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের ধারণা।

এসআই বশিরের দাবি, তাকে ঘিরে ছড়ানো বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে তার পেশাগত সুনাম ও সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ পর্যালোচনা এবং প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন।

সার্বিক বিষয়ে এসআই বশিরের দাবি, তার বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগগুলোর সঙ্গে তিনি জড়িত নন। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

TT Ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *