TT Ads

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ বিষয়ে ফেল করা এক শিক্ষার্থী পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়ন চেয়ে আমরণ অনশন শুরু করেছেন।

ড্রপ-আউট হওয়া ওই শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অনশন শুরু করেন।

অনশনকারী সাকিব মিয়া ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসাইন ফয়সাল বলেন, কারো অন্যায় আবদার তো মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষার্থী খুব খারাপভাবে অকৃতকার্য হয়েছে। তাকে জোর করে উত্তীর্ণ করা সম্ভব নয়। তার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, কিন্তু তিনি কোনো যুক্তি মানতে চাইছেন না। বিষয়টি উপাচার্যকে জানানো হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি দেবেন।

তবে শিক্ষার্থী সাকিবের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে কথা বলার কারণে বিভাগের চেয়ারম্যান তাকে একাধিক বিষয়ে ফেল করিয়ে দিয়েছেন।

এ কারণে তিনি তৃতীয় বর্ষে পড়ার সুযোগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের দাবিতে অনশন শুরু করেছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে বিভাগের চেয়ারম্যান ধীমান কুমার রায় বলেন, “তার খাতা দুই দফা মূল্যায়ন করা হয়েছে। লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক- সব অংশেই আলাদাভাবে পাস করতে হয়। তিনি লিখিত পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় নম্বর পাননি।”

তিনি বলেন, “খাতায় কিছু না লিখলে নম্বর দেওয়া সম্ভব নয়। প্রথম বর্ষেও তিনি দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হন, পরে পুনরায় পরীক্ষা দিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। উপাচার্যও তার খাতা দেখেছেন।”

চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষার্থী একাধিকবার বিভাগের ও উপাচার্যের কাছে গিয়েছেন। তাকে নিয়ম অনুযায়ী খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করতে বলা হলেও তিনি তা করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, “ওই শিক্ষার্থী আমার কাছেও এসেছিলেন। তাকে পরীক্ষক বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদন না করলে সমাধান সম্ভব নয়।”

তিনি বলেন, অনশন শুরুর পর শিক্ষার্থীর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। আবেদন করলে দুই দিনের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে সবকিছুই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করতে হবে। শিক্ষার্থী সেটাও মানতে চায় না।

TT Ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *