দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
পবিত্র রমজান উপলক্ষে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুর দেশের প্রতিটি জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে রংপুরে এই বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। জেলার আটটি উপজেলায় খেজুর বরাদ্দ দেয়া হলেও রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকার হতদরিদ্ররা এই সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া। জানা গেছে, ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’-এর দেয়া ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই বরাদ্দের অংশ হিসেবে রংপুর জেলা ২০১ কেজি খেজুর বরাদ্দ পেয়েছে।
বরাদ্দ নিয়ে ক্ষোভ
জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া জানান, জেলার জন্য বরাদ্দ করা খেজুর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে প্রতিটি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানায় এসব খেজুর বিতরণ করা হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসক নিজেও মাদরাসা ও এতিমখানায় এই খেজুর বিতরণ করবেন।
এদিকে জেলার আটটি উপজেলা খেজুর বরাদ্দ পেলেও সিটি করপোরেশন এলাকায় কোনো বরাদ্দ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় হতদরিদ্ররা। তাদের অভিযোগ, রংপুর সিটির মধ্যে কি শুধু ধনীরা বসবাস করেন? এখানেও অনেক দরিদ্র মানুষ রয়েছেন। সিটির ভেতরেও অনেক মাদরাসা ও এতিমখানা রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানেরও তো এই বরাদ্দে হক রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য
এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর রংপুর জেলা সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, ‘খেজুর আসার বিষয়টি খুবই ভালো উদ্যোগ। তবে এই উদ্যোগের পরিসর আরও বড় হলে ভালো হতো। জেলার অন্যান্য উপজেলায় বরাদ্দ দেয়া হলে সিটির মধ্যেও বরাদ্দ হওয়া উচিত।’
অন্যদিকে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম জানান, এই খেজুর দেশের প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের আলাদা করে কিংবা নির্দিষ্টভাবে সিটি করপোরেশন এলাকার জন্য কোনো খেজুর পাঠানো হয়নি। তাই আমরা কোনো খেজুর পাইনি।’


