TT Ads

দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন

হামলার সময় তার স্বামীর কাছে থাকা নগদ ২১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি স্বর্ণের চেইন, হাতে থাকা তিনটি স্বর্ণের আংটি এবং ব্যাগে থাকা প্রায় ২০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যান অভিযুক্তরা।

ময়মনসিংহ নগরীর বাসাবাড়ি মার্কেটে এক নারী ক্রেতাকে লাঞ্ছিত ও মারধরের পাশাপাশি নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি কাপড়ের দোকানের মালিক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নগরীর মালগুদাম এলাকার বাসিন্দা ফারজানা আক্তার (৩০) গত ৬ মার্চ রাত ৯টার দিকে ঈদ উপলক্ষে কাপড় কিনতে বাসাবাড়ি মার্কেটের ‘খাদিজা ফেব্রিক্স’ নামের একটি দোকানে যান। এ সময় দোকানের এক কর্মচারী তাকে উদ্দেশ্য করে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করলে তিনি ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম প্রতিবাদ জানান।

এতে দোকানের মালিক ফরিদসহ কয়েকজন কর্মচারী ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলার সময় ফারজানার স্বামী ও তার ভাইদের এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও দোকানের বিভিন্ন জিনিসপত্র দিয়ে মারধর করা হয়। এতে তার ভাই জামিল হোসেন গুরুতর আহত হন।পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার সময় তার স্বামীর কাছে থাকা নগদ ২১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। এছাড়া তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি স্বর্ণের চেইন, হাতে থাকা তিনটি স্বর্ণের আংটি এবং ব্যাগে থাকা প্রায় ২০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যান অভিযুক্তরা।অভিযোগে আরো বলা হয়, হামলাকারীরা দোকানের চেয়ার, হেলমেটসহ বিভিন্ন বস্তু দিয়ে মারধর করেন এবং ফল কাটার ছুরি ও কাঁচি দিয়ে তার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে।

ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয় এবং পরে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা করা হয়।এদিকে ঘটনার পরদিন মার্কেট কমিটি ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ জানায়, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

TT Ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *