অনলাইন ডেষ্কঃ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখনও চালু হয়নি শিশুদের আইসিইউ ইউনিট। এতে দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর তালিকা। হাসপাতালটির হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত এক মাসে মৃত্যু হয়েছে ১৪ শিশুর। গুরুতর অবস্থায় আইসিইউ প্রয়োজন হলে বিকল্প হিসেবে বাবল সিপ্যাপ পদ্ধতি ব্যবহারের কথা জানান চিকিৎসকরা। তবে, বরাদ্দ পেলেই শিশুদের আইসিইউ চালুর আশ্বাস কর্তৃপক্ষের।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখনও চালু হয়নি শিশুদের আইসিইউ ইউনিট। এতে দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর তালিকা। হাসপাতালটির হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত এক মাসে মৃত্যু হয়েছে ১৪ শিশুর। গুরুতর অবস্থায় আইসিইউ প্রয়োজন হলে বিকল্প হিসেবে বাবল সিপ্যাপ পদ্ধতি ব্যবহারের কথা জানান চিকিৎসকরা। তবে, বরাদ্দ পেলেই শিশুদের আইসিইউ চালুর আশ্বাস কর্তৃপক্ষের।
চিকিৎসক মাজহারুল আমিন বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাবল সিপ্যাপ দেয়ার পর বাচ্চার রেসপন্স (সাড়া) খুব ভালো। বেশ কয়েকটি বাচ্চা অনেকটা সুস্থের পথে। আমাদের যা পর্যবেক্ষণ, তা হলো ভর্তি থাকা শিশুদের মধ্যে সাত থেকে আট জন বাচ্চা আইসিইউয়ে যাওয়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। তাদের বাবল সিপ্যাপ দেয়ায় অনেকটা শ্বাসকষ্ট কমে আসছে। দুই-একটা বাচ্চা ক্রিটিক্যাল থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালোর দিকে।’
ময়মনসিংহ মেডিকেলের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। কর্তৃপক্ষ বলছে, হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য আইসিইউ ওয়ার্ড প্রস্তুত থাকলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবলের কারণে সেটি চালু করা হয়নি। তবে, প্রয়োজনীয় জনবল ও যন্ত্রপাতির পাশাপাশি বরাদ্দ পেলে শিগগিরই শিশুদের আইসিইউ সেবা চালু করা যাবে, বলছে কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাইনউদ্দিন খান বলেন, ‘লজিস্টিক ও লোকবলের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে দেয়া আছে। যদি সেই বরাদ্দ পাই তাহলে দ্রুতই শিশুদের আইসিইউ চালু করতে পারবো। তখন শিশুদের আইসিইউ সাপোর্ট পুরোদমে দিতে পারবো।’
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত এক মাসে ১৪ শিশুর মৃত্যু হল। আর গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৩৪ জন, ছুটি দেয়া হয়েছে ৭২ জনকে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৮ রোগী। গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে হাম আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ৬১১ জন। যার মধ্যে ছুটি দেয়া হচ্ছে ৫১৯ জনকে।


