অনলাইন ডেস্ক
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে একটি ষাড় গরু জবাইকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজবকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তারা অভিযোগ করেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ফরহাদ চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের নিয়ে অপ-প্রচার চালাচ্ছে এবং তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে ফরহাদ চেয়ারম্যানসহ এলাকাবাসী মিলে একটি ষাড় গরু ক্রয় করে আল্লাহর নামে এলাকায় ছেড়ে দেন। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর পর গরুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আটহাজার গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি গ্রহণের পর এবং গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে গরুটি জবাই করা হয়। পরে জবাইকৃত গরুর মাংস বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে পরদিনই চরমোনাই বাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকায় নতুন একটি ষাড় গরু ক্রয় করা হয় এবং সেটি পুনরায় আল্লাহর নামে ছেড়ে দেওয়া হয়। নতুন গরুটির গায়ে “S+9” চিহ্ন দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া বিক্রিত অর্থের অবশিষ্ট অংশ গ্রামের সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুরো অর্থ লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিস্তারিত হিসাব প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সম্পন্ন একটি সামাজিক উদ্যোগ। কিন্তু একটি স্বার্থান্বেষী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য বিকৃত করে ফরহাদ চেয়ারম্যানকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তারা গুজব ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করে সত্য তথ্য জানানো ও সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্নজনের প্রতিক্রিয়া হুবহু তুলে ধরা হলো
Nunna Sikder নামের একজন লিখেছেন,
“চরমোনাই পীরের লোকজন কারসাজির মাধ্যমে এই নিউজটি করিয়াছে সাথে আমাদের দলের কিছু স্বার্থন্বেষী চামচা জরিত’
Faysal Arfian Alom নামের একজন মন্তব্য করেছেন ‘আসলে মানুষ যে এতো খারাপ হতে পারে সেটা বুঝতে পারলাম তার নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আপনাদের কি লাভ বলেন তো সে তো কারো ক্ষতি করে না আমার জানা মতে
Yaseen Khan Sojib লিখেছেন,
“বাঙালি একটি পুরনো অভ্যাস গুজবে কান দেওয়া
এখন থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে।


