দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)-এর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম গত দুই দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনা জমে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যা সমাধান করে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম আবারও শুরু করা হবে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্জ্য পরিবহনে ব্যবহৃত রাসিকের গাড়িগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল সরবরাহ না থাকায় নিয়মিতভাবে ময়লা অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও ডাস্টবিনে বর্জ্য জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কোথাও কোথাও সেকেন্ডারি পয়েন্ট থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত ময়লা ছড়িয়ে পড়েছে।
নগরীর সিটি বাইপাস এলাকার ঘোড়া চত্বরের সেকেন্ডারি পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে ময়লার বুথ পুরোপুরি ভর্তি হয়ে গেছে। এমনকি প্রধান সড়কের এক পাশেও অনেক দূর পর্যন্ত ময়লা ছড়িয়ে রয়েছে। একই চিত্র দেখা গেছে নগরীর অন্যান্য সেকেন্ডারি পয়েন্টেও। বর্জ্য অপসারণ বন্ধ থাকায় অনেক এলাকায় বাড়ি বাড়ি থেকেও ময়লা সংগ্রহ করা হচ্ছে না।
এ অবস্থায় দ্রুত বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন নগরবাসী। তাদের আশঙ্কা, দীর্ঘ সময় ধরে ময়লা পড়ে থাকলে পরিবেশ দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।
নগরীর বিলসিমলা এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল করিম বলেন, দুই থেকে তিন দিন ধরে এলাকার ডাস্টবিনের ময়লা অপসারণ করা হয়নি। এতে আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং চলাচলেও ভোগান্তি হচ্ছে।
ঘোড়া চত্বর এলাকার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, এলাকাটি মেডিক্যাল জোন হওয়ায় প্রতিদিন এখানে প্রচুর বর্জ্য তৈরি হয়। নিয়মিত অপসারণ না হলে পরিবেশ দূষণ বাড়ে এবং স্থানীয়দের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়।
এ বিষয়ে রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন বলেন, জ্বালানি তেলের সরবরাহ না থাকায় শুক্রবার থেকে নির্ধারিত সেকেন্ডারি পয়েন্ট থেকে ভাগাড়ে ময়লা অপসারণ বন্ধ ছিল। তবে ইতোমধ্যে তেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শনিবার রাত থেকেই বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে।


