দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ভবেরচরস্থ ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের উপর অবস্থিত ফুট ওভার ব্রিজ থাকা সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক ডিভাইডার এর ভাঙ্গা রেলিং দিয়ে রাস্তা পারাপার হচ্ছে।
রবিবার (৮ মার্চ) বেলা ১১টায় সরেজমিন দেখা যায়, গজারিয়াবাসীর দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল ভবেরচর ফুট ওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোকজন মহাসড়ক পারাপার হচ্ছে। রাস্তার মাঝখানের রোড ডিভাইডারের উপর রেলিং দেওয়া, কিন্তু রেলিংয়ের একটি জায়গায় লোহার পাতগুলো ভাঙা থাকায় অনেক ফাঁকা হয়ে আছে। ওই ফাঁকা অংশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে পথচারীরা। মালামাল নিয়েও পার হচ্ছে অনেকে।
এ সময় একাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্রিজের সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠার কষ্ট ও সময় বাঁচানোর জন্য ভাঙ্গা রেলিং দিয়ে তারা পারাপার হচ্ছে। অথচ মানুষ যেন ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার না হতে পারে সে কারণেই ডিভাইডারের উপর লোহার রেলিং দেওয়া হয়।
স্থানীয় যুবক ইসমাইল জানান, কাজের তাড়া আছে। দ্রুত অফিসে যেতে হবে। অনেকে এখান দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে দেখে আমিও আসলাম। জীবনের চেয়ে কি সময়ের মূল্য বেশি- প্রশ্ন করলে উত্তর না দিয়ে তিনি চলে যান।
এভাবে ইসমাইলের মতো শত শত পথচারী প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে। রেলিংগুলো দীর্ঘদিন ভাঙা থাকা সত্ত্বেও মেরামত করছে না কর্তৃপক্ষ। এতে রাস্তা পারাপারের সুযোগ থাকায় ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে ঝুঁকি নিয়ে ব্যস্ততম সড়ক পার হচ্ছে পথচারীরা। এ ব্যাপারে অধিকাংশ পথচারীর মত, আইল্যান্ডের উপরের রেলিংয়ের ভেতর দিয়ে রাস্তা পারাপারের ‘সুযোগ’ আছে বলেই তারা ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করেন না।
ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে রেলিংয়ের ফাঁক দিয়ে রাস্তা পার হয়ে আসা তাসলিমা নামে এক নারী পথচারী জানান, ওভার ব্রিজ পার হতে কষ্ট হয়। তাছাড়া স্টিলের গ্রিল ভাঙা থাকায় অনেককেই রাস্তার মাঝখান দিয়ে পারাপার হতে দেখা যাচ্ছে,সেজন্য আমিও আসলাম।
বিষয়টা নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, আমরা বিষয়টা নিয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলেছি,তারা জানিয়েছেন দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙ্গা রেলিং মেরামত করে দিবেন। যদি তারা দেরি করেন তবে আমরা উপজেলা পরিষদ থেকে কাজটা করে দিব।
এ বিষয়ে না:গঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, দু’একদিনের মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


