নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশাল জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে খায়রুল আলম সুমন সততা, দক্ষতা এবং জনমুখী প্রশাসনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দায়িত্বের শুরু থেকেই তিনি জেলার সার্বিক উন্নয়ন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তি সহজ করতে নানা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
তার নেতৃত্বে ভূমি সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে নজরদারি জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন সেবার প্রসার, দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান এবং জনগণের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সক্রিয় তদারকি এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের ফলে সেবার মান দৃশ্যমানভাবে উন্নত হয়েছে।
এছাড়া, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তার দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমন্বিত পদক্ষেপ জেলার মানুষকে স্বস্তি দিয়েছে। নদীভাঙন, বন্যা কিংবা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি ও কার্যক্রম প্রশংসিত হয়েছে সর্বমহলে।
তবে তার এই ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত একটি মহল বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব অপপ্রচার তার সাফল্যকে ম্লান করতে পরিকল্পিতভাবে করা হচ্ছে।
সচেতন মহল বলছে, একটি জেলার উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে একজন জেলা প্রশাসকের নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খায়রুল আলম সুমনের কার্যক্রম তারই প্রতিফলন। অপপ্রচারের বদলে তার বাস্তব কাজ ও অর্জনই হওয়া উচিত মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।
বরিশালের সর্বস্তরের জনগণ আশা করছেন, এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা উপেক্ষা করে জেলা প্রশাসক তার উন্নয়নধারা অব্যাহত রাখবেন এবং জেলার অগ্রযাত্রা আরও বেগবান করবেন।


