Latest post
বরিশালে হাম, রোবেলা টিকা ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
লোকসানে তরমুজচাষিরা অতিমুনাফা ব্যবসায়ীর
এক খাত থেকে অন্য খাতে টাকা, শেয়ারবাজারে কোথায় সুযোগ, কোথায় ঝুঁকি
Popular Posts
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(876)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(600)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(555)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(530)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(500)
Admin
February 9, 2026
Stay Connected
Sun, Apr 12, 2026
TT Ads
হোম
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
সারাদেশের মতো বরিশালেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাম সংক্রমিত শিশুর সংখ্যা। দিনে দিনে এ রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তবে বরিশালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা। রয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকটও। একই বেডে দুই থেকে তিনজন শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে এসেও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ২টি ইউনিট নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে এক বেডে ৩ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার চরম আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন স্বজনরা। ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক বেড থাকায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সবাই। এছাড়া হাম ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই বেডে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। ফলে রোগটি সংক্রমণের শঙ্কা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই। হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর স্বজন সালেহ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার সন্তান টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে হাম আক্রান্ত এক শিশুর সঙ্গে একই বেডে দেওয়া হয়। এরপর তার সন্তানও হামে আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ার্ডটিতে সচরাচর যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কথা, সেটিও ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি। জানা গেছে, হাম ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৭৮টি বেড রয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ওয়ার্ডটিতে ১৯৬ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর হাম আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৩০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৯ জন। যার মধ্যে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়ায় ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জাগো নিউজকে বলেন, হামের টিকা সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়স হলে দেওয়া হয়। কিন্তু ইদানীং ৭ মাস বয়সেই শিশুরা এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। অথচ ৭ মাস বয়সেই শিশুরা হাম আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ৯ মাসের পরিবর্তে কেন ৭ মাস বয়সে টিকা দেওয়া যাবে না এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা দরকার। এছাড়া হাম রোগ একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
জাতীয়
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
সারাদেশের মতো বরিশালেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাম সংক্রমিত শিশুর সংখ্যা। দিনে দিনে এ রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তবে বরিশালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা। রয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকটও। একই বেডে দুই থেকে তিনজন শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে এসেও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ২টি ইউনিট নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে এক বেডে ৩ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার চরম আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন স্বজনরা। ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক বেড থাকায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সবাই। এছাড়া হাম ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই বেডে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। ফলে রোগটি সংক্রমণের শঙ্কা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই। হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর স্বজন সালেহ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার সন্তান টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে হাম আক্রান্ত এক শিশুর সঙ্গে একই বেডে দেওয়া হয়। এরপর তার সন্তানও হামে আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ার্ডটিতে সচরাচর যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কথা, সেটিও ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি। জানা গেছে, হাম ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৭৮টি বেড রয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ওয়ার্ডটিতে ১৯৬ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর হাম আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৩০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৯ জন। যার মধ্যে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়ায় ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জাগো নিউজকে বলেন, হামের টিকা সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়স হলে দেওয়া হয়। কিন্তু ইদানীং ৭ মাস বয়সেই শিশুরা এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। অথচ ৭ মাস বয়সেই শিশুরা হাম আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ৯ মাসের পরিবর্তে কেন ৭ মাস বয়সে টিকা দেওয়া যাবে না এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা দরকার। এছাড়া হাম রোগ একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
আন্তর্জাতিক
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
সারাদেশের মতো বরিশালেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাম সংক্রমিত শিশুর সংখ্যা। দিনে দিনে এ রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তবে বরিশালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা। রয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকটও। একই বেডে দুই থেকে তিনজন শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে এসেও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ২টি ইউনিট নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে এক বেডে ৩ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার চরম আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন স্বজনরা। ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক বেড থাকায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সবাই। এছাড়া হাম ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই বেডে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। ফলে রোগটি সংক্রমণের শঙ্কা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই। হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর স্বজন সালেহ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার সন্তান টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে হাম আক্রান্ত এক শিশুর সঙ্গে একই বেডে দেওয়া হয়। এরপর তার সন্তানও হামে আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ার্ডটিতে সচরাচর যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কথা, সেটিও ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি। জানা গেছে, হাম ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৭৮টি বেড রয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ওয়ার্ডটিতে ১৯৬ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর হাম আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৩০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৯ জন। যার মধ্যে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়ায় ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জাগো নিউজকে বলেন, হামের টিকা সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়স হলে দেওয়া হয়। কিন্তু ইদানীং ৭ মাস বয়সেই শিশুরা এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। অথচ ৭ মাস বয়সেই শিশুরা হাম আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ৯ মাসের পরিবর্তে কেন ৭ মাস বয়সে টিকা দেওয়া যাবে না এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা দরকার। এছাড়া হাম রোগ একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
সারাদেশ
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
সারাদেশের মতো বরিশালেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাম সংক্রমিত শিশুর সংখ্যা। দিনে দিনে এ রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তবে বরিশালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা। রয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকটও। একই বেডে দুই থেকে তিনজন শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে এসেও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ২টি ইউনিট নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে এক বেডে ৩ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার চরম আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন স্বজনরা। ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক বেড থাকায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সবাই। এছাড়া হাম ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই বেডে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। ফলে রোগটি সংক্রমণের শঙ্কা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই। হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর স্বজন সালেহ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার সন্তান টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে হাম আক্রান্ত এক শিশুর সঙ্গে একই বেডে দেওয়া হয়। এরপর তার সন্তানও হামে আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ার্ডটিতে সচরাচর যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কথা, সেটিও ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি। জানা গেছে, হাম ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৭৮টি বেড রয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ওয়ার্ডটিতে ১৯৬ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর হাম আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৩০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৯ জন। যার মধ্যে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়ায় ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জাগো নিউজকে বলেন, হামের টিকা সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়স হলে দেওয়া হয়। কিন্তু ইদানীং ৭ মাস বয়সেই শিশুরা এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। অথচ ৭ মাস বয়সেই শিশুরা হাম আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ৯ মাসের পরিবর্তে কেন ৭ মাস বয়সে টিকা দেওয়া যাবে না এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা দরকার। এছাড়া হাম রোগ একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
ঢাকা
চট্টগ্রাম
খুলনা
বরিশাল
রাজশাহী
সিলেট
রংপুর
ময়মনসিংহ
বিনোদন
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
সারাদেশের মতো বরিশালেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাম সংক্রমিত শিশুর সংখ্যা। দিনে দিনে এ রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তবে বরিশালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা। রয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকটও। একই বেডে দুই থেকে তিনজন শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে এসেও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ২টি ইউনিট নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে এক বেডে ৩ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার চরম আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন স্বজনরা। ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক বেড থাকায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সবাই। এছাড়া হাম ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই বেডে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। ফলে রোগটি সংক্রমণের শঙ্কা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই। হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর স্বজন সালেহ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার সন্তান টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে হাম আক্রান্ত এক শিশুর সঙ্গে একই বেডে দেওয়া হয়। এরপর তার সন্তানও হামে আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ার্ডটিতে সচরাচর যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কথা, সেটিও ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি। জানা গেছে, হাম ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৭৮টি বেড রয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ওয়ার্ডটিতে ১৯৬ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর হাম আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৩০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৯ জন। যার মধ্যে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়ায় ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জাগো নিউজকে বলেন, হামের টিকা সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়স হলে দেওয়া হয়। কিন্তু ইদানীং ৭ মাস বয়সেই শিশুরা এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। অথচ ৭ মাস বয়সেই শিশুরা হাম আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ৯ মাসের পরিবর্তে কেন ৭ মাস বয়সে টিকা দেওয়া যাবে না এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা দরকার। এছাড়া হাম রোগ একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
রাজনীতি
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
সারাদেশের মতো বরিশালেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাম সংক্রমিত শিশুর সংখ্যা। দিনে দিনে এ রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তবে বরিশালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা। রয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকটও। একই বেডে দুই থেকে তিনজন শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে এসেও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ২টি ইউনিট নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে এক বেডে ৩ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার চরম আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন স্বজনরা। ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক বেড থাকায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সবাই। এছাড়া হাম ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই বেডে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। ফলে রোগটি সংক্রমণের শঙ্কা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই। হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর স্বজন সালেহ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার সন্তান টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে হাম আক্রান্ত এক শিশুর সঙ্গে একই বেডে দেওয়া হয়। এরপর তার সন্তানও হামে আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ার্ডটিতে সচরাচর যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কথা, সেটিও ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি। জানা গেছে, হাম ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৭৮টি বেড রয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ওয়ার্ডটিতে ১৯৬ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর হাম আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৩০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৯ জন। যার মধ্যে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়ায় ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জাগো নিউজকে বলেন, হামের টিকা সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়স হলে দেওয়া হয়। কিন্তু ইদানীং ৭ মাস বয়সেই শিশুরা এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। অথচ ৭ মাস বয়সেই শিশুরা হাম আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ৯ মাসের পরিবর্তে কেন ৭ মাস বয়সে টিকা দেওয়া যাবে না এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা দরকার। এছাড়া হাম রোগ একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
লাইফস্টাইল
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
সারাদেশের মতো বরিশালেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাম সংক্রমিত শিশুর সংখ্যা। দিনে দিনে এ রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তবে বরিশালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা। রয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকটও। একই বেডে দুই থেকে তিনজন শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে এসেও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ২টি ইউনিট নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে এক বেডে ৩ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার চরম আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন স্বজনরা। ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক বেড থাকায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সবাই। এছাড়া হাম ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই বেডে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। ফলে রোগটি সংক্রমণের শঙ্কা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই। হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর স্বজন সালেহ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার সন্তান টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে হাম আক্রান্ত এক শিশুর সঙ্গে একই বেডে দেওয়া হয়। এরপর তার সন্তানও হামে আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ার্ডটিতে সচরাচর যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কথা, সেটিও ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি। জানা গেছে, হাম ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৭৮টি বেড রয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ওয়ার্ডটিতে ১৯৬ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর হাম আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৩০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৯ জন। যার মধ্যে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়ায় ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জাগো নিউজকে বলেন, হামের টিকা সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়স হলে দেওয়া হয়। কিন্তু ইদানীং ৭ মাস বয়সেই শিশুরা এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। অথচ ৭ মাস বয়সেই শিশুরা হাম আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ৯ মাসের পরিবর্তে কেন ৭ মাস বয়সে টিকা দেওয়া যাবে না এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা দরকার। এছাড়া হাম রোগ একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
স্বাস্থ্য
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
সারাদেশের মতো বরিশালেও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাম সংক্রমিত শিশুর সংখ্যা। দিনে দিনে এ রোগটি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তবে বরিশালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ব্যবস্থা থাকলেও নেই চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা। রয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডে শয্যা সংকটও। একই বেডে দুই থেকে তিনজন শিশুকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে অন্য রোগে আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিতে এসেও হামে আক্রান্ত হচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ২টি ইউনিট নিয়ে গঠিত এ ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে এক বেডে ৩ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতেও দেখা গেছে। এ অবস্থায় সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া ও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার চরম আশঙ্কা করছেন স্বজনরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশুদের নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন স্বজনরা। ওয়ার্ডে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক বেড থাকায় চরম ভোগান্তিতে চিকিৎসা নিচ্ছেন সবাই। এছাড়া হাম ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের একই বেডে শুইয়ে চিকিৎসা দিতে দেখা গেছে। ফলে রোগটি সংক্রমণের শঙ্কা করছেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সবাই। হাম ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন এক শিশুর স্বজন সালেহ উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, তার সন্তান টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাকে হাম আক্রান্ত এক শিশুর সঙ্গে একই বেডে দেওয়া হয়। এরপর তার সন্তানও হামে আক্রান্ত হয়। এ ঘটনায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই ওয়ার্ডটিতে সচরাচর যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কথা, সেটিও ঠিকমতো দেওয়া হচ্ছে না। এ অবস্থায় অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানান তিনি। জানা গেছে, হাম ওয়ার্ডে শিশুদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য ৭৮টি বেড রয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত ওয়ার্ডটিতে ১৯৬ জন শিশুকে চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। যা ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। ফলে বাধ্য হয়ে ওয়ার্ডের মেঝেতেও গাদাগাদি করে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছর হাম আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৩০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চলতি মাসেই শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৯ জন। যার মধ্যে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) বরিশালের বানারীপাড়ায় ওমর নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জাগো নিউজকে বলেন, হামের টিকা সাধারণত শিশুদের ৯ মাস বয়স হলে দেওয়া হয়। কিন্তু ইদানীং ৭ মাস বয়সেই শিশুরা এ রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হামের টিকা সরকারিভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ওয়ার্ডটিতে বেড সংকট সমাধানের জন্য কাজ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হয়। অথচ ৭ মাস বয়সেই শিশুরা হাম আক্রান্ত হচ্ছে। তাই শিশুদের ৯ মাসের পরিবর্তে কেন ৭ মাস বয়সে টিকা দেওয়া যাবে না এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা দরকার। এছাড়া হাম রোগ একটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এই রোগটির সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
Category: বরিশাল
Home
বরিশাল
Admin
March 30, 2026
5 sec read
89
হাসপাতালে এক বেডে একাধিক শিশু, অন্য রোগীও আক্রান্ত হচ্ছে হামে
Admin
March 30, 2026
0 sec read
74
বরিশালের পেট্রল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ
Admin
March 30, 2026
1 sec read
83
চলন্ত বাস থেকে যাত্রীকে ফেলে দিল ‘বরিশাল এক্সপ্রেস’, ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য
Admin
March 30, 2026
0 sec read
110
ক্রীড়া কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
Admin
March 29, 2026
0 sec read
84
জ্বালানি তেল সংকট নিয়ন্ত্রণে বরিশালের ২৯ পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ
Admin
March 29, 2026
11 sec read
62
বরিশাল সেক্টরে যাত্রীবন্ধব সময়সূচী ও একটি বাড়তি ফ্লাইট নিয়ে গ্রীষ্মকালীণ সময়সূচীতে ফিরল বিমান
Admin
March 29, 2026
2 sec read
88
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে এক নারী নিহত
Admin
March 29, 2026
1 sec read
63
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজের সহধর্মিনীর ইন্তেকাল
Admin
March 19, 2026
2 sec read
171
ঈদকে সামনে রেখে বরিশালে র্যাব-৮’র অভিযান জোরদার
Admin
March 17, 2026
0 sec read
157
বাংলাদেশে ঈদ কবে, যা জানা গেল
Prev.
1
2
3
4
5
…
7
Next
Most Read
Popular Post
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(876)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(600)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(555)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(530)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(500)
Admin
February 9, 2026
Weather
Dhaka
haze
34
℃
35º - 24º
humidity:
27%
wind:
6 km/h
34
℃
Mon
34
℃
Tue
34
℃
Wed
35
℃
Thu
35
℃
Fri
35
℃
Sat