Latest post
সিলেট সীমান্তে রোহিঙ্গা নাগরিকসহ চারজন আটক
রংপুরে হিন্দুপাড়ায় হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৪
ময়মনসিংহে ১৪ বছর আগে কৃষক হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবন
Popular Posts
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(882)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(604)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(561)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(536)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(504)
Admin
February 9, 2026
Stay Connected
Mon, Apr 13, 2026
TT Ads
হোম
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
বাগেরহাটের রামপালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কনেসহ তিনজনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে। বিয়ের উৎসবের বাড়িতে একদিন বাদেই শোকের মাতম। আপনজনদের হারিয়ে একদিনে স্বজনদের আহাজারিতে যেমন পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে তেমনি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। সরেজমিনে দেখা যায়, একদিন আগেও যে বাড়িতে বাজছিল বিয়ের সানাই, ছিল হাসি-আনন্দ আর উৎসবের আমেজ, মাত্র এক রাতের ব্যবধানে সেই বাড়িতেই এখন বুকফাটা কান্না। বিয়ের সাজে নতুন জীবন শুরু করার কথা ছিল মিতু ও সাব্বিরের। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিদায়ের গাড়িতেই শেষ হয়ে গেল তাদের পথচলা। একদিনের ব্যবধানে আনন্দের বাড়ি পরিণত হলো শোকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কয়রার মেয়ে মিতু আক্তার ও মোংলার যুবক সাব্বির। সারাদিনের আয়োজন শেষে রাতভর ছিল বিয়ের আনন্দ, আত্মীয়-স্বজনের ভিড় আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। রাতটা কনের বাড়িতেই কাটান বরপক্ষের সবাই। সকালে ছিল বিদায়ের মুহূর্ত। হাসি, কান্না আর নতুন জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে নববধূকে নিয়ে বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মাইক্রোবাসটি। একই গাড়িতে ছিলেন নববধূ মিতু আক্তার, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা। পরিবারের সবার মুখে তখনও ছিল বিয়ের আনন্দের রেশ। কিন্তু কেউ জানতো না, সেই যাত্রাই হবে জীবনের শেষ পথচলা। বাগেরহাটের রামপালে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির। মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায় গাড়ি—একে একে নিভে যায় ১৪টি তাজা প্রাণ। নিহত নববধু মিতু আক্তার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মিতুর ছোট বোন লামিয়া একই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত বর আহাদুর রহমান ছাব্বির মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে। আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে। এ দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি মারা গেছে। শুক্রবার সকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শেহলাবুনিয়ার ছাত্তার লেনের বরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষের ভিড়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনার খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। শোকে স্তব্ধ সবাই। আবদুর রাজ্জাকের বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছে পরিবারের নিহত চার নারীর মরদেহ। পাশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাকি পাঁচজনের মরদেহ। পরে জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। কনে মিতু আকতারের খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বোনের তিন ছেলে-মেয়ে। বড় মেয়ে মিতু আকতার, মেজো লামিয়া ও সবার ছোট ইসমাইল। বোনের সঙ্গে তার নতুন শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট ভাই ইসমাইলও বায়না ধরেছিল সেদিন। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় যেতে পারেনি। নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, আমাদের বেড়ে ওঠা মোংলাতেই। তবে গ্রামের বাড়ি কয়রায়। রাজ্জাক ভাই তার মেয়েরও বিয়ে দিয়েছেন কয়রায়। এই ছেলেরও সেখানে বিয়ে দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটা শেষ হয়ে গেল।
জাতীয়
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
বাগেরহাটের রামপালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কনেসহ তিনজনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে। বিয়ের উৎসবের বাড়িতে একদিন বাদেই শোকের মাতম। আপনজনদের হারিয়ে একদিনে স্বজনদের আহাজারিতে যেমন পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে তেমনি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। সরেজমিনে দেখা যায়, একদিন আগেও যে বাড়িতে বাজছিল বিয়ের সানাই, ছিল হাসি-আনন্দ আর উৎসবের আমেজ, মাত্র এক রাতের ব্যবধানে সেই বাড়িতেই এখন বুকফাটা কান্না। বিয়ের সাজে নতুন জীবন শুরু করার কথা ছিল মিতু ও সাব্বিরের। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিদায়ের গাড়িতেই শেষ হয়ে গেল তাদের পথচলা। একদিনের ব্যবধানে আনন্দের বাড়ি পরিণত হলো শোকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কয়রার মেয়ে মিতু আক্তার ও মোংলার যুবক সাব্বির। সারাদিনের আয়োজন শেষে রাতভর ছিল বিয়ের আনন্দ, আত্মীয়-স্বজনের ভিড় আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। রাতটা কনের বাড়িতেই কাটান বরপক্ষের সবাই। সকালে ছিল বিদায়ের মুহূর্ত। হাসি, কান্না আর নতুন জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে নববধূকে নিয়ে বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মাইক্রোবাসটি। একই গাড়িতে ছিলেন নববধূ মিতু আক্তার, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা। পরিবারের সবার মুখে তখনও ছিল বিয়ের আনন্দের রেশ। কিন্তু কেউ জানতো না, সেই যাত্রাই হবে জীবনের শেষ পথচলা। বাগেরহাটের রামপালে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির। মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায় গাড়ি—একে একে নিভে যায় ১৪টি তাজা প্রাণ। নিহত নববধু মিতু আক্তার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মিতুর ছোট বোন লামিয়া একই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত বর আহাদুর রহমান ছাব্বির মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে। আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে। এ দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি মারা গেছে। শুক্রবার সকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শেহলাবুনিয়ার ছাত্তার লেনের বরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষের ভিড়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনার খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। শোকে স্তব্ধ সবাই। আবদুর রাজ্জাকের বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছে পরিবারের নিহত চার নারীর মরদেহ। পাশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাকি পাঁচজনের মরদেহ। পরে জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। কনে মিতু আকতারের খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বোনের তিন ছেলে-মেয়ে। বড় মেয়ে মিতু আকতার, মেজো লামিয়া ও সবার ছোট ইসমাইল। বোনের সঙ্গে তার নতুন শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট ভাই ইসমাইলও বায়না ধরেছিল সেদিন। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় যেতে পারেনি। নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, আমাদের বেড়ে ওঠা মোংলাতেই। তবে গ্রামের বাড়ি কয়রায়। রাজ্জাক ভাই তার মেয়েরও বিয়ে দিয়েছেন কয়রায়। এই ছেলেরও সেখানে বিয়ে দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটা শেষ হয়ে গেল।
আন্তর্জাতিক
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
বাগেরহাটের রামপালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কনেসহ তিনজনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে। বিয়ের উৎসবের বাড়িতে একদিন বাদেই শোকের মাতম। আপনজনদের হারিয়ে একদিনে স্বজনদের আহাজারিতে যেমন পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে তেমনি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। সরেজমিনে দেখা যায়, একদিন আগেও যে বাড়িতে বাজছিল বিয়ের সানাই, ছিল হাসি-আনন্দ আর উৎসবের আমেজ, মাত্র এক রাতের ব্যবধানে সেই বাড়িতেই এখন বুকফাটা কান্না। বিয়ের সাজে নতুন জীবন শুরু করার কথা ছিল মিতু ও সাব্বিরের। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিদায়ের গাড়িতেই শেষ হয়ে গেল তাদের পথচলা। একদিনের ব্যবধানে আনন্দের বাড়ি পরিণত হলো শোকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কয়রার মেয়ে মিতু আক্তার ও মোংলার যুবক সাব্বির। সারাদিনের আয়োজন শেষে রাতভর ছিল বিয়ের আনন্দ, আত্মীয়-স্বজনের ভিড় আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। রাতটা কনের বাড়িতেই কাটান বরপক্ষের সবাই। সকালে ছিল বিদায়ের মুহূর্ত। হাসি, কান্না আর নতুন জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে নববধূকে নিয়ে বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মাইক্রোবাসটি। একই গাড়িতে ছিলেন নববধূ মিতু আক্তার, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা। পরিবারের সবার মুখে তখনও ছিল বিয়ের আনন্দের রেশ। কিন্তু কেউ জানতো না, সেই যাত্রাই হবে জীবনের শেষ পথচলা। বাগেরহাটের রামপালে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির। মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায় গাড়ি—একে একে নিভে যায় ১৪টি তাজা প্রাণ। নিহত নববধু মিতু আক্তার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মিতুর ছোট বোন লামিয়া একই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত বর আহাদুর রহমান ছাব্বির মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে। আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে। এ দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি মারা গেছে। শুক্রবার সকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শেহলাবুনিয়ার ছাত্তার লেনের বরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষের ভিড়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনার খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। শোকে স্তব্ধ সবাই। আবদুর রাজ্জাকের বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছে পরিবারের নিহত চার নারীর মরদেহ। পাশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাকি পাঁচজনের মরদেহ। পরে জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। কনে মিতু আকতারের খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বোনের তিন ছেলে-মেয়ে। বড় মেয়ে মিতু আকতার, মেজো লামিয়া ও সবার ছোট ইসমাইল। বোনের সঙ্গে তার নতুন শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট ভাই ইসমাইলও বায়না ধরেছিল সেদিন। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় যেতে পারেনি। নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, আমাদের বেড়ে ওঠা মোংলাতেই। তবে গ্রামের বাড়ি কয়রায়। রাজ্জাক ভাই তার মেয়েরও বিয়ে দিয়েছেন কয়রায়। এই ছেলেরও সেখানে বিয়ে দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটা শেষ হয়ে গেল।
সারাদেশ
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
বাগেরহাটের রামপালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কনেসহ তিনজনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে। বিয়ের উৎসবের বাড়িতে একদিন বাদেই শোকের মাতম। আপনজনদের হারিয়ে একদিনে স্বজনদের আহাজারিতে যেমন পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে তেমনি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। সরেজমিনে দেখা যায়, একদিন আগেও যে বাড়িতে বাজছিল বিয়ের সানাই, ছিল হাসি-আনন্দ আর উৎসবের আমেজ, মাত্র এক রাতের ব্যবধানে সেই বাড়িতেই এখন বুকফাটা কান্না। বিয়ের সাজে নতুন জীবন শুরু করার কথা ছিল মিতু ও সাব্বিরের। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিদায়ের গাড়িতেই শেষ হয়ে গেল তাদের পথচলা। একদিনের ব্যবধানে আনন্দের বাড়ি পরিণত হলো শোকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কয়রার মেয়ে মিতু আক্তার ও মোংলার যুবক সাব্বির। সারাদিনের আয়োজন শেষে রাতভর ছিল বিয়ের আনন্দ, আত্মীয়-স্বজনের ভিড় আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। রাতটা কনের বাড়িতেই কাটান বরপক্ষের সবাই। সকালে ছিল বিদায়ের মুহূর্ত। হাসি, কান্না আর নতুন জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে নববধূকে নিয়ে বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মাইক্রোবাসটি। একই গাড়িতে ছিলেন নববধূ মিতু আক্তার, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা। পরিবারের সবার মুখে তখনও ছিল বিয়ের আনন্দের রেশ। কিন্তু কেউ জানতো না, সেই যাত্রাই হবে জীবনের শেষ পথচলা। বাগেরহাটের রামপালে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির। মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায় গাড়ি—একে একে নিভে যায় ১৪টি তাজা প্রাণ। নিহত নববধু মিতু আক্তার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মিতুর ছোট বোন লামিয়া একই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত বর আহাদুর রহমান ছাব্বির মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে। আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে। এ দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি মারা গেছে। শুক্রবার সকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শেহলাবুনিয়ার ছাত্তার লেনের বরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষের ভিড়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনার খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। শোকে স্তব্ধ সবাই। আবদুর রাজ্জাকের বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছে পরিবারের নিহত চার নারীর মরদেহ। পাশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাকি পাঁচজনের মরদেহ। পরে জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। কনে মিতু আকতারের খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বোনের তিন ছেলে-মেয়ে। বড় মেয়ে মিতু আকতার, মেজো লামিয়া ও সবার ছোট ইসমাইল। বোনের সঙ্গে তার নতুন শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট ভাই ইসমাইলও বায়না ধরেছিল সেদিন। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় যেতে পারেনি। নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, আমাদের বেড়ে ওঠা মোংলাতেই। তবে গ্রামের বাড়ি কয়রায়। রাজ্জাক ভাই তার মেয়েরও বিয়ে দিয়েছেন কয়রায়। এই ছেলেরও সেখানে বিয়ে দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটা শেষ হয়ে গেল।
ঢাকা
চট্টগ্রাম
খুলনা
বরিশাল
রাজশাহী
সিলেট
রংপুর
ময়মনসিংহ
বিনোদন
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
বাগেরহাটের রামপালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কনেসহ তিনজনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে। বিয়ের উৎসবের বাড়িতে একদিন বাদেই শোকের মাতম। আপনজনদের হারিয়ে একদিনে স্বজনদের আহাজারিতে যেমন পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে তেমনি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। সরেজমিনে দেখা যায়, একদিন আগেও যে বাড়িতে বাজছিল বিয়ের সানাই, ছিল হাসি-আনন্দ আর উৎসবের আমেজ, মাত্র এক রাতের ব্যবধানে সেই বাড়িতেই এখন বুকফাটা কান্না। বিয়ের সাজে নতুন জীবন শুরু করার কথা ছিল মিতু ও সাব্বিরের। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিদায়ের গাড়িতেই শেষ হয়ে গেল তাদের পথচলা। একদিনের ব্যবধানে আনন্দের বাড়ি পরিণত হলো শোকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কয়রার মেয়ে মিতু আক্তার ও মোংলার যুবক সাব্বির। সারাদিনের আয়োজন শেষে রাতভর ছিল বিয়ের আনন্দ, আত্মীয়-স্বজনের ভিড় আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। রাতটা কনের বাড়িতেই কাটান বরপক্ষের সবাই। সকালে ছিল বিদায়ের মুহূর্ত। হাসি, কান্না আর নতুন জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে নববধূকে নিয়ে বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মাইক্রোবাসটি। একই গাড়িতে ছিলেন নববধূ মিতু আক্তার, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা। পরিবারের সবার মুখে তখনও ছিল বিয়ের আনন্দের রেশ। কিন্তু কেউ জানতো না, সেই যাত্রাই হবে জীবনের শেষ পথচলা। বাগেরহাটের রামপালে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির। মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায় গাড়ি—একে একে নিভে যায় ১৪টি তাজা প্রাণ। নিহত নববধু মিতু আক্তার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মিতুর ছোট বোন লামিয়া একই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত বর আহাদুর রহমান ছাব্বির মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে। আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে। এ দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি মারা গেছে। শুক্রবার সকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শেহলাবুনিয়ার ছাত্তার লেনের বরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষের ভিড়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনার খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। শোকে স্তব্ধ সবাই। আবদুর রাজ্জাকের বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছে পরিবারের নিহত চার নারীর মরদেহ। পাশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাকি পাঁচজনের মরদেহ। পরে জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। কনে মিতু আকতারের খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বোনের তিন ছেলে-মেয়ে। বড় মেয়ে মিতু আকতার, মেজো লামিয়া ও সবার ছোট ইসমাইল। বোনের সঙ্গে তার নতুন শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট ভাই ইসমাইলও বায়না ধরেছিল সেদিন। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় যেতে পারেনি। নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, আমাদের বেড়ে ওঠা মোংলাতেই। তবে গ্রামের বাড়ি কয়রায়। রাজ্জাক ভাই তার মেয়েরও বিয়ে দিয়েছেন কয়রায়। এই ছেলেরও সেখানে বিয়ে দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটা শেষ হয়ে গেল।
রাজনীতি
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
বাগেরহাটের রামপালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কনেসহ তিনজনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে। বিয়ের উৎসবের বাড়িতে একদিন বাদেই শোকের মাতম। আপনজনদের হারিয়ে একদিনে স্বজনদের আহাজারিতে যেমন পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে তেমনি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। সরেজমিনে দেখা যায়, একদিন আগেও যে বাড়িতে বাজছিল বিয়ের সানাই, ছিল হাসি-আনন্দ আর উৎসবের আমেজ, মাত্র এক রাতের ব্যবধানে সেই বাড়িতেই এখন বুকফাটা কান্না। বিয়ের সাজে নতুন জীবন শুরু করার কথা ছিল মিতু ও সাব্বিরের। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিদায়ের গাড়িতেই শেষ হয়ে গেল তাদের পথচলা। একদিনের ব্যবধানে আনন্দের বাড়ি পরিণত হলো শোকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কয়রার মেয়ে মিতু আক্তার ও মোংলার যুবক সাব্বির। সারাদিনের আয়োজন শেষে রাতভর ছিল বিয়ের আনন্দ, আত্মীয়-স্বজনের ভিড় আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। রাতটা কনের বাড়িতেই কাটান বরপক্ষের সবাই। সকালে ছিল বিদায়ের মুহূর্ত। হাসি, কান্না আর নতুন জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে নববধূকে নিয়ে বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মাইক্রোবাসটি। একই গাড়িতে ছিলেন নববধূ মিতু আক্তার, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা। পরিবারের সবার মুখে তখনও ছিল বিয়ের আনন্দের রেশ। কিন্তু কেউ জানতো না, সেই যাত্রাই হবে জীবনের শেষ পথচলা। বাগেরহাটের রামপালে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির। মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায় গাড়ি—একে একে নিভে যায় ১৪টি তাজা প্রাণ। নিহত নববধু মিতু আক্তার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মিতুর ছোট বোন লামিয়া একই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত বর আহাদুর রহমান ছাব্বির মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে। আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে। এ দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি মারা গেছে। শুক্রবার সকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শেহলাবুনিয়ার ছাত্তার লেনের বরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষের ভিড়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনার খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। শোকে স্তব্ধ সবাই। আবদুর রাজ্জাকের বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছে পরিবারের নিহত চার নারীর মরদেহ। পাশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাকি পাঁচজনের মরদেহ। পরে জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। কনে মিতু আকতারের খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বোনের তিন ছেলে-মেয়ে। বড় মেয়ে মিতু আকতার, মেজো লামিয়া ও সবার ছোট ইসমাইল। বোনের সঙ্গে তার নতুন শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট ভাই ইসমাইলও বায়না ধরেছিল সেদিন। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় যেতে পারেনি। নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, আমাদের বেড়ে ওঠা মোংলাতেই। তবে গ্রামের বাড়ি কয়রায়। রাজ্জাক ভাই তার মেয়েরও বিয়ে দিয়েছেন কয়রায়। এই ছেলেরও সেখানে বিয়ে দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটা শেষ হয়ে গেল।
লাইফস্টাইল
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
বাগেরহাটের রামপালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কনেসহ তিনজনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে। বিয়ের উৎসবের বাড়িতে একদিন বাদেই শোকের মাতম। আপনজনদের হারিয়ে একদিনে স্বজনদের আহাজারিতে যেমন পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে তেমনি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। সরেজমিনে দেখা যায়, একদিন আগেও যে বাড়িতে বাজছিল বিয়ের সানাই, ছিল হাসি-আনন্দ আর উৎসবের আমেজ, মাত্র এক রাতের ব্যবধানে সেই বাড়িতেই এখন বুকফাটা কান্না। বিয়ের সাজে নতুন জীবন শুরু করার কথা ছিল মিতু ও সাব্বিরের। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিদায়ের গাড়িতেই শেষ হয়ে গেল তাদের পথচলা। একদিনের ব্যবধানে আনন্দের বাড়ি পরিণত হলো শোকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কয়রার মেয়ে মিতু আক্তার ও মোংলার যুবক সাব্বির। সারাদিনের আয়োজন শেষে রাতভর ছিল বিয়ের আনন্দ, আত্মীয়-স্বজনের ভিড় আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। রাতটা কনের বাড়িতেই কাটান বরপক্ষের সবাই। সকালে ছিল বিদায়ের মুহূর্ত। হাসি, কান্না আর নতুন জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে নববধূকে নিয়ে বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মাইক্রোবাসটি। একই গাড়িতে ছিলেন নববধূ মিতু আক্তার, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা। পরিবারের সবার মুখে তখনও ছিল বিয়ের আনন্দের রেশ। কিন্তু কেউ জানতো না, সেই যাত্রাই হবে জীবনের শেষ পথচলা। বাগেরহাটের রামপালে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির। মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায় গাড়ি—একে একে নিভে যায় ১৪টি তাজা প্রাণ। নিহত নববধু মিতু আক্তার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মিতুর ছোট বোন লামিয়া একই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত বর আহাদুর রহমান ছাব্বির মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে। আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে। এ দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি মারা গেছে। শুক্রবার সকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শেহলাবুনিয়ার ছাত্তার লেনের বরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষের ভিড়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনার খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। শোকে স্তব্ধ সবাই। আবদুর রাজ্জাকের বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছে পরিবারের নিহত চার নারীর মরদেহ। পাশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাকি পাঁচজনের মরদেহ। পরে জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। কনে মিতু আকতারের খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বোনের তিন ছেলে-মেয়ে। বড় মেয়ে মিতু আকতার, মেজো লামিয়া ও সবার ছোট ইসমাইল। বোনের সঙ্গে তার নতুন শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট ভাই ইসমাইলও বায়না ধরেছিল সেদিন। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় যেতে পারেনি। নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, আমাদের বেড়ে ওঠা মোংলাতেই। তবে গ্রামের বাড়ি কয়রায়। রাজ্জাক ভাই তার মেয়েরও বিয়ে দিয়েছেন কয়রায়। এই ছেলেরও সেখানে বিয়ে দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটা শেষ হয়ে গেল।
স্বাস্থ্য
দ্যা ডেইলি বাংলা নিউজ অনলাইন
বাগেরহাটের রামপালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কনেসহ তিনজনের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে। বিয়ের উৎসবের বাড়িতে একদিন বাদেই শোকের মাতম। আপনজনদের হারিয়ে একদিনে স্বজনদের আহাজারিতে যেমন পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে তেমনি পুরো এলাকায় শোকের ছায়া। সরেজমিনে দেখা যায়, একদিন আগেও যে বাড়িতে বাজছিল বিয়ের সানাই, ছিল হাসি-আনন্দ আর উৎসবের আমেজ, মাত্র এক রাতের ব্যবধানে সেই বাড়িতেই এখন বুকফাটা কান্না। বিয়ের সাজে নতুন জীবন শুরু করার কথা ছিল মিতু ও সাব্বিরের। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস—বিদায়ের গাড়িতেই শেষ হয়ে গেল তাদের পথচলা। একদিনের ব্যবধানে আনন্দের বাড়ি পরিণত হলো শোকের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কয়রার মেয়ে মিতু আক্তার ও মোংলার যুবক সাব্বির। সারাদিনের আয়োজন শেষে রাতভর ছিল বিয়ের আনন্দ, আত্মীয়-স্বজনের ভিড় আর নতুন জীবনের স্বপ্ন। রাতটা কনের বাড়িতেই কাটান বরপক্ষের সবাই। সকালে ছিল বিদায়ের মুহূর্ত। হাসি, কান্না আর নতুন জীবনের প্রত্যাশা নিয়ে নববধূকে নিয়ে বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মাইক্রোবাসটি। একই গাড়িতে ছিলেন নববধূ মিতু আক্তার, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা। পরিবারের সবার মুখে তখনও ছিল বিয়ের আনন্দের রেশ। কিন্তু কেউ জানতো না, সেই যাত্রাই হবে জীবনের শেষ পথচলা। বাগেরহাটের রামপালে পৌঁছাতেই ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নৌবাহিনীর বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বিয়ের যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটির। মুহূর্তেই ভেঙে চুরমার হয়ে যায় গাড়ি—একে একে নিভে যায় ১৪টি তাজা প্রাণ। নিহত নববধু মিতু আক্তার স্থানীয় একটি মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মিতুর ছোট বোন লামিয়া একই মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। নিহত বর আহাদুর রহমান ছাব্বির মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে। আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে। এ দুর্ঘটনায় তার দুই ছেলে, মেয়ে, এক পুত্রবধূ ও চার নাতি মারা গেছে। শুক্রবার সকালে মোংলা উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন শেহলাবুনিয়ার ছাত্তার লেনের বরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, শত শত মানুষের ভিড়। হৃদয়বিদারক এই ঘটনার খবর শুনে আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন। শোকে স্তব্ধ সবাই। আবদুর রাজ্জাকের বাড়ির ভেতরে রাখা হয়েছে পরিবারের নিহত চার নারীর মরদেহ। পাশে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাকি পাঁচজনের মরদেহ। পরে জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মরদেহগুলো দাফন করা হয়। কনে মিতু আকতারের খালা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার বোনের তিন ছেলে-মেয়ে। বড় মেয়ে মিতু আকতার, মেজো লামিয়া ও সবার ছোট ইসমাইল। বোনের সঙ্গে তার নতুন শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট ভাই ইসমাইলও বায়না ধরেছিল সেদিন। কিন্তু গাড়িতে জায়গা না হওয়ায় যেতে পারেনি। নিহত আবদুর রাজ্জাকের ছোট ভাই সাজ্জাদ সরদার বলেন, আমাদের বেড়ে ওঠা মোংলাতেই। তবে গ্রামের বাড়ি কয়রায়। রাজ্জাক ভাই তার মেয়েরও বিয়ে দিয়েছেন কয়রায়। এই ছেলেরও সেখানে বিয়ে দিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারটা শেষ হয়ে গেল।
Category: খুলনা
Home
খুলনা
Admin
March 14, 2026
1 sec read
49
শুরুর আগেই শেষ একসঙ্গে পথচলার স্বপ্ন
Admin
March 14, 2026
0 sec read
72
খুলনায় দুর্বৃত্তের হামলায় ব্যবসায়ী দুই ভাই জখম
Admin
March 13, 2026
1 sec read
146
খুলনায় ডিলারদের তেল সরবরাহ বন্ধ
Admin
March 13, 2026
0 sec read
134
‘আল্লাহ তুমি আমাকেও নিয়ে যাও’
Admin
March 13, 2026
1 sec read
84
খুলনার বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪
Admin
March 13, 2026
1 sec read
40
কটকা ট্র্যাজেডি: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক দিবস আজ
Admin
March 12, 2026
1 sec read
64
দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু: প্রধানমন্ত্রী
Admin
March 12, 2026
2 sec read
85
খুলনা সিটি করপোরেশনের খেজুর যাচ্ছে এতিমখানায়
Admin
March 12, 2026
2 sec read
94
খুলনাকে পরিচ্ছন্ন নগর গড়াসহ অগ্রাধিকারে ৫ কর্মসূচি
Admin
March 12, 2026
1 sec read
42
খুলনায় দুই পুলিশ সদস্যের পরিবারকে ঈদ উপহার প্রদান
Prev.
1
2
3
4
Next
Most Read
Popular Post
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(882)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(604)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(561)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(536)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(504)
Admin
February 9, 2026
Weather
Dhaka
haze
23
℃
39º - 23º
humidity:
47%
wind:
8 km/h
35
℃
Wed
34
℃
Thu
35
℃
Fri
36
℃
Sat
35
℃
Sun
36
℃
Mon