Latest post
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ক্যান্টিনে খাবারে মিলল জীবিত পোকা
গবেষণা ও মানবিক পরিবেশেই এগোবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
হলের ছাদের পলেস্তারা খসে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী আহত
Popular Posts
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(843)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(578)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(533)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(510)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(480)
Admin
February 9, 2026
Stay Connected
Mon, Apr 6, 2026
TT Ads
হোম
অনলাইন ডেক্সঃ
২০ দিনে সন্দেহজনক হামে ৯৮ শিশুর মৃত্যু। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ৪ জনের। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ২ জনের। চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ ২০০৬ সালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে হামে আক্রান্ত ও এতে মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে একটি জরিপ হয়। ডব্লিউএইচওর অর্থায়নে এ জরিপে নেতৃত্ব দেন আইইডিসিআরের তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় চারজনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই।’ জরিপে যুক্ত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা ওই জরিপে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। সেই বিচারে বলা যায়, এবার হামে যত মানুষের মৃত্যু হলো, তা এ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হামে সংক্রমণ: ২০০৪ থেকে এখন হাম পরিস্থিতিকে বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডব্লিউএইচওর দেওয়া বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০০৪ সালে দেশে ৯ হাজার ৭৪৩টি হাম রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৯৩৪; যা ওই সময়ের বড় প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেয়। এরপর ২০০৬ সালে তা নেমে আসে ৬ হাজার ১৯২-এ। ২০০৭ সালে ২ হাজার ৯২৪, ২০০৮-এ ২ হাজার ৬৬০, ২০০৯-এ ৭১৮, আর ২০১০ সালে ৭৮৮। অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০০৫-এর ভয়াবহ অবস্থার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত কমে আসে। এরপরও বাংলাদেশ হামকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ডব্লিউএইচওর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা আবার লাফ দিয়ে ৫ হাজার ৬২৫-এ ওঠে। ২০১২ সালে তা ১ হাজার ৯৮৬-এ নেমে আসে। ২০১৩ সালে ২৩৭, ২০১৪ সালে ২৮৯, ২০১৫ সালে ২৪০—এই তিন বছর তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৯৭২। পর্যালোচনা বলছে, ২০০০ থেকে ২০১৬ সময়ে টিকাদান বাড়লেও ২০১৬ সালে আবার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
জাতীয়
অনলাইন ডেক্সঃ
২০ দিনে সন্দেহজনক হামে ৯৮ শিশুর মৃত্যু। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ৪ জনের। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ২ জনের। চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ ২০০৬ সালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে হামে আক্রান্ত ও এতে মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে একটি জরিপ হয়। ডব্লিউএইচওর অর্থায়নে এ জরিপে নেতৃত্ব দেন আইইডিসিআরের তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় চারজনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই।’ জরিপে যুক্ত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা ওই জরিপে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। সেই বিচারে বলা যায়, এবার হামে যত মানুষের মৃত্যু হলো, তা এ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হামে সংক্রমণ: ২০০৪ থেকে এখন হাম পরিস্থিতিকে বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডব্লিউএইচওর দেওয়া বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০০৪ সালে দেশে ৯ হাজার ৭৪৩টি হাম রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৯৩৪; যা ওই সময়ের বড় প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেয়। এরপর ২০০৬ সালে তা নেমে আসে ৬ হাজার ১৯২-এ। ২০০৭ সালে ২ হাজার ৯২৪, ২০০৮-এ ২ হাজার ৬৬০, ২০০৯-এ ৭১৮, আর ২০১০ সালে ৭৮৮। অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০০৫-এর ভয়াবহ অবস্থার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত কমে আসে। এরপরও বাংলাদেশ হামকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ডব্লিউএইচওর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা আবার লাফ দিয়ে ৫ হাজার ৬২৫-এ ওঠে। ২০১২ সালে তা ১ হাজার ৯৮৬-এ নেমে আসে। ২০১৩ সালে ২৩৭, ২০১৪ সালে ২৮৯, ২০১৫ সালে ২৪০—এই তিন বছর তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৯৭২। পর্যালোচনা বলছে, ২০০০ থেকে ২০১৬ সময়ে টিকাদান বাড়লেও ২০১৬ সালে আবার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেক্সঃ
২০ দিনে সন্দেহজনক হামে ৯৮ শিশুর মৃত্যু। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ৪ জনের। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ২ জনের। চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ ২০০৬ সালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে হামে আক্রান্ত ও এতে মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে একটি জরিপ হয়। ডব্লিউএইচওর অর্থায়নে এ জরিপে নেতৃত্ব দেন আইইডিসিআরের তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় চারজনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই।’ জরিপে যুক্ত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা ওই জরিপে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। সেই বিচারে বলা যায়, এবার হামে যত মানুষের মৃত্যু হলো, তা এ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হামে সংক্রমণ: ২০০৪ থেকে এখন হাম পরিস্থিতিকে বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডব্লিউএইচওর দেওয়া বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০০৪ সালে দেশে ৯ হাজার ৭৪৩টি হাম রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৯৩৪; যা ওই সময়ের বড় প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেয়। এরপর ২০০৬ সালে তা নেমে আসে ৬ হাজার ১৯২-এ। ২০০৭ সালে ২ হাজার ৯২৪, ২০০৮-এ ২ হাজার ৬৬০, ২০০৯-এ ৭১৮, আর ২০১০ সালে ৭৮৮। অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০০৫-এর ভয়াবহ অবস্থার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত কমে আসে। এরপরও বাংলাদেশ হামকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ডব্লিউএইচওর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা আবার লাফ দিয়ে ৫ হাজার ৬২৫-এ ওঠে। ২০১২ সালে তা ১ হাজার ৯৮৬-এ নেমে আসে। ২০১৩ সালে ২৩৭, ২০১৪ সালে ২৮৯, ২০১৫ সালে ২৪০—এই তিন বছর তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৯৭২। পর্যালোচনা বলছে, ২০০০ থেকে ২০১৬ সময়ে টিকাদান বাড়লেও ২০১৬ সালে আবার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
সারাদেশ
অনলাইন ডেক্সঃ
২০ দিনে সন্দেহজনক হামে ৯৮ শিশুর মৃত্যু। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ৪ জনের। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ২ জনের। চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ ২০০৬ সালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে হামে আক্রান্ত ও এতে মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে একটি জরিপ হয়। ডব্লিউএইচওর অর্থায়নে এ জরিপে নেতৃত্ব দেন আইইডিসিআরের তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় চারজনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই।’ জরিপে যুক্ত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা ওই জরিপে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। সেই বিচারে বলা যায়, এবার হামে যত মানুষের মৃত্যু হলো, তা এ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হামে সংক্রমণ: ২০০৪ থেকে এখন হাম পরিস্থিতিকে বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডব্লিউএইচওর দেওয়া বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০০৪ সালে দেশে ৯ হাজার ৭৪৩টি হাম রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৯৩৪; যা ওই সময়ের বড় প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেয়। এরপর ২০০৬ সালে তা নেমে আসে ৬ হাজার ১৯২-এ। ২০০৭ সালে ২ হাজার ৯২৪, ২০০৮-এ ২ হাজার ৬৬০, ২০০৯-এ ৭১৮, আর ২০১০ সালে ৭৮৮। অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০০৫-এর ভয়াবহ অবস্থার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত কমে আসে। এরপরও বাংলাদেশ হামকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ডব্লিউএইচওর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা আবার লাফ দিয়ে ৫ হাজার ৬২৫-এ ওঠে। ২০১২ সালে তা ১ হাজার ৯৮৬-এ নেমে আসে। ২০১৩ সালে ২৩৭, ২০১৪ সালে ২৮৯, ২০১৫ সালে ২৪০—এই তিন বছর তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৯৭২। পর্যালোচনা বলছে, ২০০০ থেকে ২০১৬ সময়ে টিকাদান বাড়লেও ২০১৬ সালে আবার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
ঢাকা
চট্টগ্রাম
খুলনা
বরিশাল
রাজশাহী
সিলেট
রংপুর
ময়মনসিংহ
বিনোদন
অনলাইন ডেক্সঃ
২০ দিনে সন্দেহজনক হামে ৯৮ শিশুর মৃত্যু। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ৪ জনের। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ২ জনের। চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ ২০০৬ সালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে হামে আক্রান্ত ও এতে মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে একটি জরিপ হয়। ডব্লিউএইচওর অর্থায়নে এ জরিপে নেতৃত্ব দেন আইইডিসিআরের তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় চারজনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই।’ জরিপে যুক্ত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা ওই জরিপে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। সেই বিচারে বলা যায়, এবার হামে যত মানুষের মৃত্যু হলো, তা এ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হামে সংক্রমণ: ২০০৪ থেকে এখন হাম পরিস্থিতিকে বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডব্লিউএইচওর দেওয়া বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০০৪ সালে দেশে ৯ হাজার ৭৪৩টি হাম রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৯৩৪; যা ওই সময়ের বড় প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেয়। এরপর ২০০৬ সালে তা নেমে আসে ৬ হাজার ১৯২-এ। ২০০৭ সালে ২ হাজার ৯২৪, ২০০৮-এ ২ হাজার ৬৬০, ২০০৯-এ ৭১৮, আর ২০১০ সালে ৭৮৮। অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০০৫-এর ভয়াবহ অবস্থার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত কমে আসে। এরপরও বাংলাদেশ হামকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ডব্লিউএইচওর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা আবার লাফ দিয়ে ৫ হাজার ৬২৫-এ ওঠে। ২০১২ সালে তা ১ হাজার ৯৮৬-এ নেমে আসে। ২০১৩ সালে ২৩৭, ২০১৪ সালে ২৮৯, ২০১৫ সালে ২৪০—এই তিন বছর তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৯৭২। পর্যালোচনা বলছে, ২০০০ থেকে ২০১৬ সময়ে টিকাদান বাড়লেও ২০১৬ সালে আবার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
রাজনীতি
অনলাইন ডেক্সঃ
২০ দিনে সন্দেহজনক হামে ৯৮ শিশুর মৃত্যু। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ৪ জনের। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ২ জনের। চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ ২০০৬ সালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে হামে আক্রান্ত ও এতে মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে একটি জরিপ হয়। ডব্লিউএইচওর অর্থায়নে এ জরিপে নেতৃত্ব দেন আইইডিসিআরের তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় চারজনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই।’ জরিপে যুক্ত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা ওই জরিপে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। সেই বিচারে বলা যায়, এবার হামে যত মানুষের মৃত্যু হলো, তা এ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হামে সংক্রমণ: ২০০৪ থেকে এখন হাম পরিস্থিতিকে বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডব্লিউএইচওর দেওয়া বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০০৪ সালে দেশে ৯ হাজার ৭৪৩টি হাম রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৯৩৪; যা ওই সময়ের বড় প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেয়। এরপর ২০০৬ সালে তা নেমে আসে ৬ হাজার ১৯২-এ। ২০০৭ সালে ২ হাজার ৯২৪, ২০০৮-এ ২ হাজার ৬৬০, ২০০৯-এ ৭১৮, আর ২০১০ সালে ৭৮৮। অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০০৫-এর ভয়াবহ অবস্থার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত কমে আসে। এরপরও বাংলাদেশ হামকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ডব্লিউএইচওর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা আবার লাফ দিয়ে ৫ হাজার ৬২৫-এ ওঠে। ২০১২ সালে তা ১ হাজার ৯৮৬-এ নেমে আসে। ২০১৩ সালে ২৩৭, ২০১৪ সালে ২৮৯, ২০১৫ সালে ২৪০—এই তিন বছর তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৯৭২। পর্যালোচনা বলছে, ২০০০ থেকে ২০১৬ সময়ে টিকাদান বাড়লেও ২০১৬ সালে আবার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
লাইফস্টাইল
অনলাইন ডেক্সঃ
২০ দিনে সন্দেহজনক হামে ৯৮ শিশুর মৃত্যু। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ৪ জনের। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ২ জনের। চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ ২০০৬ সালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে হামে আক্রান্ত ও এতে মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে একটি জরিপ হয়। ডব্লিউএইচওর অর্থায়নে এ জরিপে নেতৃত্ব দেন আইইডিসিআরের তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় চারজনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই।’ জরিপে যুক্ত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা ওই জরিপে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। সেই বিচারে বলা যায়, এবার হামে যত মানুষের মৃত্যু হলো, তা এ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হামে সংক্রমণ: ২০০৪ থেকে এখন হাম পরিস্থিতিকে বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডব্লিউএইচওর দেওয়া বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০০৪ সালে দেশে ৯ হাজার ৭৪৩টি হাম রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৯৩৪; যা ওই সময়ের বড় প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেয়। এরপর ২০০৬ সালে তা নেমে আসে ৬ হাজার ১৯২-এ। ২০০৭ সালে ২ হাজার ৯২৪, ২০০৮-এ ২ হাজার ৬৬০, ২০০৯-এ ৭১৮, আর ২০১০ সালে ৭৮৮। অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০০৫-এর ভয়াবহ অবস্থার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত কমে আসে। এরপরও বাংলাদেশ হামকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ডব্লিউএইচওর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা আবার লাফ দিয়ে ৫ হাজার ৬২৫-এ ওঠে। ২০১২ সালে তা ১ হাজার ৯৮৬-এ নেমে আসে। ২০১৩ সালে ২৩৭, ২০১৪ সালে ২৮৯, ২০১৫ সালে ২৪০—এই তিন বছর তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৯৭২। পর্যালোচনা বলছে, ২০০০ থেকে ২০১৬ সময়ে টিকাদান বাড়লেও ২০১৬ সালে আবার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
স্বাস্থ্য
অনলাইন ডেক্সঃ
২০ দিনে সন্দেহজনক হামে ৯৮ শিশুর মৃত্যু। নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যু ৪ জনের। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ২ জনের। চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ চলতি বছরে হামে যত মৃত্যু হয়েছে, তা গত দুই দশকে সর্বোচ্চ। এই সময়ে পাঁচবার হামে মৃত্যুর ঘটনা জানা যায়। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি মারা যায় ১০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সর্বশেষ ২০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল) ৯৮ শিশু সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে। আর হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৬। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগে চারজন এবং নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে গত দুই সপ্তাহে প্রথম আলো দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জেনেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হামে প্রতিবছর কতজন আক্রান্ত হয়, তার হিসাব নিয়মিত করা হলেও মৃত্যুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। দেশে হামে মৃত্যুর হার ছিল ১০ লাখে ১ শতাংশ। এখন তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। যদি ৮২৬ জনের হিসাব ধরে নেওয়া হয়, তবে সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০২০ সালে দেশে হামে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন। পরের বছরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০-এর কম ছিল। স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দেশে হামের টিকা শুরুর পর এ রোগে এত মৃত্যুর রেকর্ড নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদ গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি যতটুকু অনুমান করতে পারি, দেশে হামে এ পর্যন্ত এক বছরের মধ্যে এত রোগীর মৃত্যু হয়নি।’ ২০০৬ সালে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে হামে আক্রান্ত ও এতে মৃত্যুর সংখ্যা নির্ণয়ে একটি জরিপ হয়। ডব্লিউএইচওর অর্থায়নে এ জরিপে নেতৃত্ব দেন আইইডিসিআরের তৎকালীন পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই সময় চারজনের মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই।’ জরিপে যুক্ত ছিলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন। তিনি জানান, দেশব্যাপী দৈবচয়নের ভিত্তিতে করা ওই জরিপে মৃত্যুর সংখ্যা কম ছিল। সেই বিচারে বলা যায়, এবার হামে যত মানুষের মৃত্যু হলো, তা এ দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। হামে সংক্রমণ: ২০০৪ থেকে এখন হাম পরিস্থিতিকে বোঝার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা দেখা দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। ডব্লিউএইচওর দেওয়া বাংলাদেশ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০০৪ সালে দেশে ৯ হাজার ৭৪৩টি হাম রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। পরের বছর বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ৯৩৪; যা ওই সময়ের বড় প্রাদুর্ভাবের ইঙ্গিত দেয়। এরপর ২০০৬ সালে তা নেমে আসে ৬ হাজার ১৯২-এ। ২০০৭ সালে ২ হাজার ৯২৪, ২০০৮-এ ২ হাজার ৬৬০, ২০০৯-এ ৭১৮, আর ২০১০ সালে ৭৮৮। অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০০৫-এর ভয়াবহ অবস্থার পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত কমে আসে। এরপরও বাংলাদেশ হামকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ডব্লিউএইচওর পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১১ সালে দেশে হাম রোগীর সংখ্যা আবার লাফ দিয়ে ৫ হাজার ৬২৫-এ ওঠে। ২০১২ সালে তা ১ হাজার ৯৮৬-এ নেমে আসে। ২০১৩ সালে ২৩৭, ২০১৪ সালে ২৮৯, ২০১৫ সালে ২৪০—এই তিন বছর তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় ছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৯৭২। পর্যালোচনা বলছে, ২০০০ থেকে ২০১৬ সময়ে টিকাদান বাড়লেও ২০১৬ সালে আবার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
Category: স্বাস্থ্য
Home
স্বাস্থ্য
Admin
April 5, 2026
5 sec read
15
দুই দশকে দেশে হামে সর্বোচ্চ মৃত্যু, বেশি মৃত্যুহারও
Admin
March 30, 2026
0 sec read
85
রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
Admin
February 9, 2026
11 sec read
533
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
Admin
February 9, 2026
1 sec read
510
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
Admin
February 9, 2026
2 sec read
480
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
Most Read
Popular Post
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(843)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(578)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(533)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(510)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(480)
Admin
February 9, 2026
Weather
Dhaka
haze
28
℃
31º - 21º
humidity:
45%
wind:
9 km/h
31
℃
Wed
24
℃
Thu
30
℃
Fri
35
℃
Sat
37
℃
Sun
35
℃
Mon