Latest post
লোকসানে তরমুজচাষিরা অতিমুনাফা ব্যবসায়ীর
এক খাত থেকে অন্য খাতে টাকা, শেয়ারবাজারে কোথায় সুযোগ, কোথায় ঝুঁকি
শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকার কেন্দ্র সচিবদের মতবিনিময় আজ
Popular Posts
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(876)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(600)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(555)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(530)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(500)
Admin
February 9, 2026
Stay Connected
Sun, Apr 12, 2026
TT Ads
হোম
অনলাইন ডেষ্কঃ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাতবিমুখ ছিলেন। এসব খাতের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। এ কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসব খাতের লেনদেন কমে গেছে। তার বিপরীতে ঢাকার বাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা প্রকৌশল, সাধারণ বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে এসব খাতের লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের সাপ্তাহিক বাজার তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রবণতা পাওয়া গেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা গত সপ্তাহে বেড়েছে। তবে যেসব খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে, সেসব খাতে এই বিনিয়োগ বেড়েছে মূলত হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারে এক খাত থেকে অন্য খাতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়াটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি মুনাফার আশায় এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে এতে ঝুঁকিও তৈরি হয়, যদি খাতভিত্তিক লেনদেন নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিনির্ভর হয়ে যায়। তাই এ ধরনের প্রবণতা থাকলে তখন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ শেষে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। আর সিরামিক খাতের দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫ কোটি টাকা। ভ্রমণ খাতের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কমে ৬ কোটি টাকায় নেমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেড়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর সাধারণ বিমা খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৬০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ট্যানারি খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি টাকায়। এ ছাড়া বিবিধ খাতের দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় সেই বিনিয়োগ গেছে কয়েকটি খাতের হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ওষুধ খাতের কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস, খাদ্য খাতের কোম্পানি লাভেলো, সেবা খাতের সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, প্রকৌশল খাতের ডমিনেজ স্টিল, ওষুধ খাতের টেকনো ড্রাগস ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, বড় মূলধনি ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় দ্রুত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এসব শেয়ারের ঝুঁকেছে। তুলনামূলক স্বল্প ও মাঝারি মানের ও মূলধনের কোম্পানির প্রতিই তাদের এই ঝোঁক বেশি। তাই খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বাজারের সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে এখন ভালো মৌলভিত্তির ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ার কম দামে রয়েছে। এসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও সার্বিক বাজারের পিই রেশিও নিচে রয়েছে। ফলে এসব খাতের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি ব্যাংক তাদের গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। গত বছর ব্যাংক তিনটিই রেকর্ড মুনাফা করেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব ব্যাংক ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। তাতে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য ভালো লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে এসব ব্যাংক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজের এক জরিপে উঠে এসেছে, এ বছর ব্যাংক খাত শেয়ারবাজারে লেনদেনে নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ। এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে। সূচক বাড়লেও লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বড় কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচককে টেনে তুললেও সার্বিকভাবে বাজারে ছিল আস্থার সংকট।
জাতীয়
অনলাইন ডেষ্কঃ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাতবিমুখ ছিলেন। এসব খাতের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। এ কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসব খাতের লেনদেন কমে গেছে। তার বিপরীতে ঢাকার বাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা প্রকৌশল, সাধারণ বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে এসব খাতের লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের সাপ্তাহিক বাজার তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রবণতা পাওয়া গেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা গত সপ্তাহে বেড়েছে। তবে যেসব খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে, সেসব খাতে এই বিনিয়োগ বেড়েছে মূলত হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারে এক খাত থেকে অন্য খাতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়াটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি মুনাফার আশায় এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে এতে ঝুঁকিও তৈরি হয়, যদি খাতভিত্তিক লেনদেন নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিনির্ভর হয়ে যায়। তাই এ ধরনের প্রবণতা থাকলে তখন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ শেষে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। আর সিরামিক খাতের দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫ কোটি টাকা। ভ্রমণ খাতের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কমে ৬ কোটি টাকায় নেমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেড়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর সাধারণ বিমা খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৬০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ট্যানারি খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি টাকায়। এ ছাড়া বিবিধ খাতের দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় সেই বিনিয়োগ গেছে কয়েকটি খাতের হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ওষুধ খাতের কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস, খাদ্য খাতের কোম্পানি লাভেলো, সেবা খাতের সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, প্রকৌশল খাতের ডমিনেজ স্টিল, ওষুধ খাতের টেকনো ড্রাগস ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, বড় মূলধনি ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় দ্রুত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এসব শেয়ারের ঝুঁকেছে। তুলনামূলক স্বল্প ও মাঝারি মানের ও মূলধনের কোম্পানির প্রতিই তাদের এই ঝোঁক বেশি। তাই খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বাজারের সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে এখন ভালো মৌলভিত্তির ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ার কম দামে রয়েছে। এসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও সার্বিক বাজারের পিই রেশিও নিচে রয়েছে। ফলে এসব খাতের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি ব্যাংক তাদের গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। গত বছর ব্যাংক তিনটিই রেকর্ড মুনাফা করেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব ব্যাংক ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। তাতে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য ভালো লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে এসব ব্যাংক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজের এক জরিপে উঠে এসেছে, এ বছর ব্যাংক খাত শেয়ারবাজারে লেনদেনে নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ। এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে। সূচক বাড়লেও লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বড় কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচককে টেনে তুললেও সার্বিকভাবে বাজারে ছিল আস্থার সংকট।
আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেষ্কঃ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাতবিমুখ ছিলেন। এসব খাতের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। এ কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসব খাতের লেনদেন কমে গেছে। তার বিপরীতে ঢাকার বাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা প্রকৌশল, সাধারণ বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে এসব খাতের লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের সাপ্তাহিক বাজার তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রবণতা পাওয়া গেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা গত সপ্তাহে বেড়েছে। তবে যেসব খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে, সেসব খাতে এই বিনিয়োগ বেড়েছে মূলত হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারে এক খাত থেকে অন্য খাতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়াটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি মুনাফার আশায় এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে এতে ঝুঁকিও তৈরি হয়, যদি খাতভিত্তিক লেনদেন নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিনির্ভর হয়ে যায়। তাই এ ধরনের প্রবণতা থাকলে তখন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ শেষে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। আর সিরামিক খাতের দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫ কোটি টাকা। ভ্রমণ খাতের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কমে ৬ কোটি টাকায় নেমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেড়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর সাধারণ বিমা খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৬০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ট্যানারি খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি টাকায়। এ ছাড়া বিবিধ খাতের দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় সেই বিনিয়োগ গেছে কয়েকটি খাতের হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ওষুধ খাতের কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস, খাদ্য খাতের কোম্পানি লাভেলো, সেবা খাতের সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, প্রকৌশল খাতের ডমিনেজ স্টিল, ওষুধ খাতের টেকনো ড্রাগস ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, বড় মূলধনি ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় দ্রুত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এসব শেয়ারের ঝুঁকেছে। তুলনামূলক স্বল্প ও মাঝারি মানের ও মূলধনের কোম্পানির প্রতিই তাদের এই ঝোঁক বেশি। তাই খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বাজারের সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে এখন ভালো মৌলভিত্তির ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ার কম দামে রয়েছে। এসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও সার্বিক বাজারের পিই রেশিও নিচে রয়েছে। ফলে এসব খাতের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি ব্যাংক তাদের গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। গত বছর ব্যাংক তিনটিই রেকর্ড মুনাফা করেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব ব্যাংক ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। তাতে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য ভালো লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে এসব ব্যাংক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজের এক জরিপে উঠে এসেছে, এ বছর ব্যাংক খাত শেয়ারবাজারে লেনদেনে নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ। এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে। সূচক বাড়লেও লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বড় কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচককে টেনে তুললেও সার্বিকভাবে বাজারে ছিল আস্থার সংকট।
সারাদেশ
অনলাইন ডেষ্কঃ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাতবিমুখ ছিলেন। এসব খাতের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। এ কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসব খাতের লেনদেন কমে গেছে। তার বিপরীতে ঢাকার বাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা প্রকৌশল, সাধারণ বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে এসব খাতের লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের সাপ্তাহিক বাজার তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রবণতা পাওয়া গেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা গত সপ্তাহে বেড়েছে। তবে যেসব খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে, সেসব খাতে এই বিনিয়োগ বেড়েছে মূলত হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারে এক খাত থেকে অন্য খাতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়াটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি মুনাফার আশায় এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে এতে ঝুঁকিও তৈরি হয়, যদি খাতভিত্তিক লেনদেন নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিনির্ভর হয়ে যায়। তাই এ ধরনের প্রবণতা থাকলে তখন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ শেষে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। আর সিরামিক খাতের দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫ কোটি টাকা। ভ্রমণ খাতের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কমে ৬ কোটি টাকায় নেমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেড়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর সাধারণ বিমা খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৬০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ট্যানারি খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি টাকায়। এ ছাড়া বিবিধ খাতের দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় সেই বিনিয়োগ গেছে কয়েকটি খাতের হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ওষুধ খাতের কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস, খাদ্য খাতের কোম্পানি লাভেলো, সেবা খাতের সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, প্রকৌশল খাতের ডমিনেজ স্টিল, ওষুধ খাতের টেকনো ড্রাগস ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, বড় মূলধনি ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় দ্রুত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এসব শেয়ারের ঝুঁকেছে। তুলনামূলক স্বল্প ও মাঝারি মানের ও মূলধনের কোম্পানির প্রতিই তাদের এই ঝোঁক বেশি। তাই খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বাজারের সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে এখন ভালো মৌলভিত্তির ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ার কম দামে রয়েছে। এসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও সার্বিক বাজারের পিই রেশিও নিচে রয়েছে। ফলে এসব খাতের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি ব্যাংক তাদের গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। গত বছর ব্যাংক তিনটিই রেকর্ড মুনাফা করেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব ব্যাংক ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। তাতে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য ভালো লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে এসব ব্যাংক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজের এক জরিপে উঠে এসেছে, এ বছর ব্যাংক খাত শেয়ারবাজারে লেনদেনে নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ। এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে। সূচক বাড়লেও লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বড় কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচককে টেনে তুললেও সার্বিকভাবে বাজারে ছিল আস্থার সংকট।
ঢাকা
চট্টগ্রাম
খুলনা
বরিশাল
রাজশাহী
সিলেট
রংপুর
ময়মনসিংহ
বিনোদন
অনলাইন ডেষ্কঃ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাতবিমুখ ছিলেন। এসব খাতের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। এ কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসব খাতের লেনদেন কমে গেছে। তার বিপরীতে ঢাকার বাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা প্রকৌশল, সাধারণ বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে এসব খাতের লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের সাপ্তাহিক বাজার তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রবণতা পাওয়া গেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা গত সপ্তাহে বেড়েছে। তবে যেসব খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে, সেসব খাতে এই বিনিয়োগ বেড়েছে মূলত হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারে এক খাত থেকে অন্য খাতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়াটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি মুনাফার আশায় এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে এতে ঝুঁকিও তৈরি হয়, যদি খাতভিত্তিক লেনদেন নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিনির্ভর হয়ে যায়। তাই এ ধরনের প্রবণতা থাকলে তখন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ শেষে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। আর সিরামিক খাতের দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫ কোটি টাকা। ভ্রমণ খাতের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কমে ৬ কোটি টাকায় নেমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেড়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর সাধারণ বিমা খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৬০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ট্যানারি খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি টাকায়। এ ছাড়া বিবিধ খাতের দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় সেই বিনিয়োগ গেছে কয়েকটি খাতের হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ওষুধ খাতের কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস, খাদ্য খাতের কোম্পানি লাভেলো, সেবা খাতের সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, প্রকৌশল খাতের ডমিনেজ স্টিল, ওষুধ খাতের টেকনো ড্রাগস ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, বড় মূলধনি ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় দ্রুত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এসব শেয়ারের ঝুঁকেছে। তুলনামূলক স্বল্প ও মাঝারি মানের ও মূলধনের কোম্পানির প্রতিই তাদের এই ঝোঁক বেশি। তাই খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বাজারের সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে এখন ভালো মৌলভিত্তির ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ার কম দামে রয়েছে। এসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও সার্বিক বাজারের পিই রেশিও নিচে রয়েছে। ফলে এসব খাতের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি ব্যাংক তাদের গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। গত বছর ব্যাংক তিনটিই রেকর্ড মুনাফা করেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব ব্যাংক ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। তাতে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য ভালো লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে এসব ব্যাংক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজের এক জরিপে উঠে এসেছে, এ বছর ব্যাংক খাত শেয়ারবাজারে লেনদেনে নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ। এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে। সূচক বাড়লেও লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বড় কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচককে টেনে তুললেও সার্বিকভাবে বাজারে ছিল আস্থার সংকট।
রাজনীতি
অনলাইন ডেষ্কঃ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাতবিমুখ ছিলেন। এসব খাতের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। এ কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসব খাতের লেনদেন কমে গেছে। তার বিপরীতে ঢাকার বাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা প্রকৌশল, সাধারণ বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে এসব খাতের লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের সাপ্তাহিক বাজার তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রবণতা পাওয়া গেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা গত সপ্তাহে বেড়েছে। তবে যেসব খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে, সেসব খাতে এই বিনিয়োগ বেড়েছে মূলত হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারে এক খাত থেকে অন্য খাতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়াটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি মুনাফার আশায় এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে এতে ঝুঁকিও তৈরি হয়, যদি খাতভিত্তিক লেনদেন নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিনির্ভর হয়ে যায়। তাই এ ধরনের প্রবণতা থাকলে তখন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ শেষে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। আর সিরামিক খাতের দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫ কোটি টাকা। ভ্রমণ খাতের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কমে ৬ কোটি টাকায় নেমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেড়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর সাধারণ বিমা খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৬০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ট্যানারি খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি টাকায়। এ ছাড়া বিবিধ খাতের দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় সেই বিনিয়োগ গেছে কয়েকটি খাতের হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ওষুধ খাতের কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস, খাদ্য খাতের কোম্পানি লাভেলো, সেবা খাতের সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, প্রকৌশল খাতের ডমিনেজ স্টিল, ওষুধ খাতের টেকনো ড্রাগস ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, বড় মূলধনি ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় দ্রুত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এসব শেয়ারের ঝুঁকেছে। তুলনামূলক স্বল্প ও মাঝারি মানের ও মূলধনের কোম্পানির প্রতিই তাদের এই ঝোঁক বেশি। তাই খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বাজারের সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে এখন ভালো মৌলভিত্তির ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ার কম দামে রয়েছে। এসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও সার্বিক বাজারের পিই রেশিও নিচে রয়েছে। ফলে এসব খাতের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি ব্যাংক তাদের গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। গত বছর ব্যাংক তিনটিই রেকর্ড মুনাফা করেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব ব্যাংক ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। তাতে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য ভালো লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে এসব ব্যাংক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজের এক জরিপে উঠে এসেছে, এ বছর ব্যাংক খাত শেয়ারবাজারে লেনদেনে নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ। এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে। সূচক বাড়লেও লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বড় কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচককে টেনে তুললেও সার্বিকভাবে বাজারে ছিল আস্থার সংকট।
লাইফস্টাইল
অনলাইন ডেষ্কঃ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাতবিমুখ ছিলেন। এসব খাতের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। এ কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসব খাতের লেনদেন কমে গেছে। তার বিপরীতে ঢাকার বাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা প্রকৌশল, সাধারণ বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে এসব খাতের লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের সাপ্তাহিক বাজার তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রবণতা পাওয়া গেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা গত সপ্তাহে বেড়েছে। তবে যেসব খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে, সেসব খাতে এই বিনিয়োগ বেড়েছে মূলত হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারে এক খাত থেকে অন্য খাতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়াটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি মুনাফার আশায় এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে এতে ঝুঁকিও তৈরি হয়, যদি খাতভিত্তিক লেনদেন নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিনির্ভর হয়ে যায়। তাই এ ধরনের প্রবণতা থাকলে তখন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ শেষে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। আর সিরামিক খাতের দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫ কোটি টাকা। ভ্রমণ খাতের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কমে ৬ কোটি টাকায় নেমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেড়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর সাধারণ বিমা খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৬০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ট্যানারি খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি টাকায়। এ ছাড়া বিবিধ খাতের দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় সেই বিনিয়োগ গেছে কয়েকটি খাতের হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ওষুধ খাতের কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস, খাদ্য খাতের কোম্পানি লাভেলো, সেবা খাতের সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, প্রকৌশল খাতের ডমিনেজ স্টিল, ওষুধ খাতের টেকনো ড্রাগস ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, বড় মূলধনি ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় দ্রুত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এসব শেয়ারের ঝুঁকেছে। তুলনামূলক স্বল্প ও মাঝারি মানের ও মূলধনের কোম্পানির প্রতিই তাদের এই ঝোঁক বেশি। তাই খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বাজারের সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে এখন ভালো মৌলভিত্তির ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ার কম দামে রয়েছে। এসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও সার্বিক বাজারের পিই রেশিও নিচে রয়েছে। ফলে এসব খাতের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি ব্যাংক তাদের গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। গত বছর ব্যাংক তিনটিই রেকর্ড মুনাফা করেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব ব্যাংক ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। তাতে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য ভালো লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে এসব ব্যাংক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজের এক জরিপে উঠে এসেছে, এ বছর ব্যাংক খাত শেয়ারবাজারে লেনদেনে নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ। এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে। সূচক বাড়লেও লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বড় কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচককে টেনে তুললেও সার্বিকভাবে বাজারে ছিল আস্থার সংকট।
স্বাস্থ্য
অনলাইন ডেষ্কঃ
দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা মিউচুয়াল ফান্ড, সিরামিক ও ভ্রমণ খাতবিমুখ ছিলেন। এসব খাতের শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ তুলে নিয়েছেন। এ কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এসব খাতের লেনদেন কমে গেছে। তার বিপরীতে ঢাকার বাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীরা প্রকৌশল, সাধারণ বিমা, ট্যানারি ও বিবিধ খাতের কোম্পানিতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। ফলে এসব খাতের লেনদেন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। গত সপ্তাহ শেষে ঢাকার বাজারের সাপ্তাহিক বাজার তথ্য পর্যালোচনা করে এই প্রবণতা পাওয়া গেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে অন্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রবণতা গত সপ্তাহে বেড়েছে। তবে যেসব খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে, সেসব খাতে এই বিনিয়োগ বেড়েছে মূলত হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। শেয়ারবাজারে এক খাত থেকে অন্য খাতে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়াটা স্বাভাবিক প্রবণতা। বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি মুনাফার আশায় এই প্রবণতা দেখা যায়। তবে এতে ঝুঁকিও তৈরি হয়, যদি খাতভিত্তিক লেনদেন নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিনির্ভর হয়ে যায়। তাই এ ধরনের প্রবণতা থাকলে তখন স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহ শেষে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩৯ শতাংশ কমে ১৬ কোটি টাকায় নেমেছে। আর সিরামিক খাতের দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ৫ কোটি টাকা। ভ্রমণ খাতের লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা কমে ৬ কোটি টাকায় নেমেছে। তার বিপরীতে প্রকৌশল খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেড়ে ৯৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। আর সাধারণ বিমা খাতের দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা বেড়ে ৬০ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। ট্যানারি খাতের কোম্পানিগুলোর দৈনিক গড় লেনদেন আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি টাকায়। এ ছাড়া বিবিধ খাতের দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৪ কোটি টাকা। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যেসব খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আর স্বল্পমেয়াদি লাভের আশায় সেই বিনিয়োগ গেছে কয়েকটি খাতের হাতেগোনা কিছু কোম্পানিতে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিবিধ খাতের খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, ওষুধ খাতের কোম্পানি একমি পেস্টিসাইডস, খাদ্য খাতের কোম্পানি লাভেলো, সেবা খাতের সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, প্রকৌশল খাতের ডমিনেজ স্টিল, ওষুধ খাতের টেকনো ড্রাগস ইত্যাদি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শীর্ষস্থানীয় একটি ব্রোকারেজ হাউসের শীর্ষ নির্বাহী বলেন, বড় মূলধনি ও ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারে কিছুটা স্থবিরতা থাকায় দ্রুত মুনাফার আশায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ এসব শেয়ারের ঝুঁকেছে। তুলনামূলক স্বল্প ও মাঝারি মানের ও মূলধনের কোম্পানির প্রতিই তাদের এই ঝোঁক বেশি। তাই খাতভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বাজারের সার্বিক চিত্র পর্যালোচনা করে বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে এখন ভালো মৌলভিত্তির ও বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ার কম দামে রয়েছে। এসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত বা পিই রেশিও সার্বিক বাজারের পিই রেশিও নিচে রয়েছে। ফলে এসব খাতের কোম্পানিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ লাভজনক হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও ওষুধ খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি ব্যাংক তাদের গত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকগুলো হলো প্রাইম ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। গত বছর ব্যাংক তিনটিই রেকর্ড মুনাফা করেছে। ফলে দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত যেসব ব্যাংক ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেগুলোর মুনাফা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। তাতে বছর শেষে শেয়ারধারীদের জন্য ভালো লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে এসব ব্যাংক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় ব্রোকারেজ হাউস লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজের এক জরিপে উঠে এসেছে, এ বছর ব্যাংক খাত শেয়ারবাজারে লেনদেনে নেতৃত্ব দেবে বলে মত দেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ। এদিকে গত সপ্তাহে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে। সূচক বাড়লেও লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন হয়েছে। বড় কিছু কোম্পানির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি সূচককে টেনে তুললেও সার্বিকভাবে বাজারে ছিল আস্থার সংকট।
Category: লিড নিউজ
Home
লিড নিউজ
Admin
April 12, 2026
0 sec read
6
এক খাত থেকে অন্য খাতে টাকা, শেয়ারবাজারে কোথায় সুযোগ, কোথায় ঝুঁকি
Admin
April 12, 2026
0 sec read
6
ঢাকাসহ ৪ সিটিতে হামের টিকা দেওয়া হবে আজ
Admin
April 9, 2026
3 sec read
18
বরিশাল-ভোলা সড়কে হচ্ছে দীর্ঘতম সেতু, দক্ষিণাঞ্চলে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
Admin
April 8, 2026
0 sec read
16
নকল রোধে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
Admin
April 8, 2026
1 sec read
20
শিগগিরই ভোলা-বরিশাল সেতুর নির্মাণ সময়সূচি ঘোষণা করা হবে: মন্ত্রী রবিউল
Admin
April 8, 2026
0 sec read
21
গত চব্বিশ ঘণ্টায় ঢাকা শিশু হাসপাতালে হাম উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু
Admin
April 8, 2026
0 sec read
17
ঢাকায় ধরা পড়ল নতুন কলম আকৃতির মারণাস্ত্র ‘পেন গান’, উৎস অনুসন্ধানে ডিবি
Admin
April 7, 2026
0 sec read
17
বৈরী আবহাওয়ায় বিপর্যস্ত রেলপথ, নোয়াখালী-ঢাকা ট্রেন চলাচলে অচলাবস্থা
Admin
April 6, 2026
0 sec read
26
ঢাকা সফরে এসেছেন যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
Admin
April 6, 2026
1 sec read
32
গাবতলী–মহাখালী–সায়দাবাদ বাদে ঢাকার সব বাস কাউন্টার সরানোর নির্দেশ ডিএমপির
1
2
3
…
5
Next
Most Read
Popular Post
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(876)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(600)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(555)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(530)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(500)
Admin
February 9, 2026
Weather
Dhaka
haze
33
℃
36º - 24º
humidity:
41%
wind:
6 km/h
34
℃
Mon
34
℃
Tue
34
℃
Wed
35
℃
Thu
35
℃
Fri
35
℃
Sat