Latest post
সিলেট সীমান্তে রোহিঙ্গা নাগরিকসহ চারজন আটক
রংপুরে হিন্দুপাড়ায় হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৪
ময়মনসিংহে ১৪ বছর আগে কৃষক হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবন
Popular Posts
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(882)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(604)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(561)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(536)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(504)
Admin
February 9, 2026
Stay Connected
Mon, Apr 13, 2026
TT Ads
হোম
অনলাইন ডেষ্কঃ
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী দিনে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল অঞ্চলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছে এবং শিগগিরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হবে। শুধু শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাও এর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহছানুল হক বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ নকল করে পার পেতে না পারে। এ জন্য পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিসি ক্যামেরা যাতে বিদ্যুৎ নেই এমন অজুহাতে বন্ধ না রাখতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে আইপিএস সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে পাঠদান কক্ষে শিক্ষকেরা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা–ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফেসবুকে অনেক মেসেজ (বার্তা) পাচ্ছি পরীক্ষা পেছানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিগত সময়ে খাতায় লিখলেও পাস, না লিখলেও পাস—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ হবে। গত বছর পরীক্ষা যেভাবে নিয়মের মধ্যে হয়েছে, এবারও সেই একই নিয়মের মধ্যে হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে পরীক্ষায় আর নকল করা যাবে না। যেহেতু নকল করা যাবে না, তাই তারা এখন পড়াশোনা করেই পরীক্ষার হলে আসবে। এই বার্তা তারা পেয়ে গেছে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বিএনপি সরকারকে শিক্ষাবান্ধব সরকার উল্লেখ করেন এহছানুল হক মিলন। গুণগত শিক্ষা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে এসে সেটা প্রমাণ করেছিল। এবারও সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমাদের ইচ্ছা এ দেশের শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার শুধু দাপ্তরিক কাজের জায়গা নয়, উপসনালয়। আর শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আপনাদেরও সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা খাতে আগে জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্ন বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ধরনের শাস্তিহীনতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শর বেশি উন্নয়ন প্রকল্প করেছে। সেগুলো দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি করে টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। প্রতিটি বিষয়ের তদন্ত করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে বিদ্যালয়গুলোতে একদিন অফলাইন, একদিন অনলাইন পাঠদান পদ্ধতি চালু করা যায় কি না, এ বিষয়ে ভাবার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে অনেক শিক্ষক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বাজেটের পর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেযারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী সভা শেষে বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
জাতীয়
অনলাইন ডেষ্কঃ
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী দিনে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল অঞ্চলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছে এবং শিগগিরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হবে। শুধু শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাও এর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহছানুল হক বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ নকল করে পার পেতে না পারে। এ জন্য পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিসি ক্যামেরা যাতে বিদ্যুৎ নেই এমন অজুহাতে বন্ধ না রাখতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে আইপিএস সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে পাঠদান কক্ষে শিক্ষকেরা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা–ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফেসবুকে অনেক মেসেজ (বার্তা) পাচ্ছি পরীক্ষা পেছানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিগত সময়ে খাতায় লিখলেও পাস, না লিখলেও পাস—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ হবে। গত বছর পরীক্ষা যেভাবে নিয়মের মধ্যে হয়েছে, এবারও সেই একই নিয়মের মধ্যে হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে পরীক্ষায় আর নকল করা যাবে না। যেহেতু নকল করা যাবে না, তাই তারা এখন পড়াশোনা করেই পরীক্ষার হলে আসবে। এই বার্তা তারা পেয়ে গেছে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বিএনপি সরকারকে শিক্ষাবান্ধব সরকার উল্লেখ করেন এহছানুল হক মিলন। গুণগত শিক্ষা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে এসে সেটা প্রমাণ করেছিল। এবারও সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমাদের ইচ্ছা এ দেশের শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার শুধু দাপ্তরিক কাজের জায়গা নয়, উপসনালয়। আর শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আপনাদেরও সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা খাতে আগে জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্ন বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ধরনের শাস্তিহীনতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শর বেশি উন্নয়ন প্রকল্প করেছে। সেগুলো দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি করে টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। প্রতিটি বিষয়ের তদন্ত করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে বিদ্যালয়গুলোতে একদিন অফলাইন, একদিন অনলাইন পাঠদান পদ্ধতি চালু করা যায় কি না, এ বিষয়ে ভাবার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে অনেক শিক্ষক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বাজেটের পর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেযারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী সভা শেষে বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
আন্তর্জাতিক
অনলাইন ডেষ্কঃ
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী দিনে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল অঞ্চলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছে এবং শিগগিরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হবে। শুধু শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাও এর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহছানুল হক বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ নকল করে পার পেতে না পারে। এ জন্য পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিসি ক্যামেরা যাতে বিদ্যুৎ নেই এমন অজুহাতে বন্ধ না রাখতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে আইপিএস সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে পাঠদান কক্ষে শিক্ষকেরা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা–ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফেসবুকে অনেক মেসেজ (বার্তা) পাচ্ছি পরীক্ষা পেছানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিগত সময়ে খাতায় লিখলেও পাস, না লিখলেও পাস—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ হবে। গত বছর পরীক্ষা যেভাবে নিয়মের মধ্যে হয়েছে, এবারও সেই একই নিয়মের মধ্যে হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে পরীক্ষায় আর নকল করা যাবে না। যেহেতু নকল করা যাবে না, তাই তারা এখন পড়াশোনা করেই পরীক্ষার হলে আসবে। এই বার্তা তারা পেয়ে গেছে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বিএনপি সরকারকে শিক্ষাবান্ধব সরকার উল্লেখ করেন এহছানুল হক মিলন। গুণগত শিক্ষা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে এসে সেটা প্রমাণ করেছিল। এবারও সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমাদের ইচ্ছা এ দেশের শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার শুধু দাপ্তরিক কাজের জায়গা নয়, উপসনালয়। আর শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আপনাদেরও সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা খাতে আগে জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্ন বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ধরনের শাস্তিহীনতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শর বেশি উন্নয়ন প্রকল্প করেছে। সেগুলো দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি করে টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। প্রতিটি বিষয়ের তদন্ত করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে বিদ্যালয়গুলোতে একদিন অফলাইন, একদিন অনলাইন পাঠদান পদ্ধতি চালু করা যায় কি না, এ বিষয়ে ভাবার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে অনেক শিক্ষক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বাজেটের পর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেযারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী সভা শেষে বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
সারাদেশ
অনলাইন ডেষ্কঃ
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী দিনে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল অঞ্চলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছে এবং শিগগিরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হবে। শুধু শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাও এর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহছানুল হক বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ নকল করে পার পেতে না পারে। এ জন্য পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিসি ক্যামেরা যাতে বিদ্যুৎ নেই এমন অজুহাতে বন্ধ না রাখতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে আইপিএস সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে পাঠদান কক্ষে শিক্ষকেরা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা–ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফেসবুকে অনেক মেসেজ (বার্তা) পাচ্ছি পরীক্ষা পেছানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিগত সময়ে খাতায় লিখলেও পাস, না লিখলেও পাস—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ হবে। গত বছর পরীক্ষা যেভাবে নিয়মের মধ্যে হয়েছে, এবারও সেই একই নিয়মের মধ্যে হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে পরীক্ষায় আর নকল করা যাবে না। যেহেতু নকল করা যাবে না, তাই তারা এখন পড়াশোনা করেই পরীক্ষার হলে আসবে। এই বার্তা তারা পেয়ে গেছে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বিএনপি সরকারকে শিক্ষাবান্ধব সরকার উল্লেখ করেন এহছানুল হক মিলন। গুণগত শিক্ষা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে এসে সেটা প্রমাণ করেছিল। এবারও সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমাদের ইচ্ছা এ দেশের শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার শুধু দাপ্তরিক কাজের জায়গা নয়, উপসনালয়। আর শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আপনাদেরও সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা খাতে আগে জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্ন বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ধরনের শাস্তিহীনতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শর বেশি উন্নয়ন প্রকল্প করেছে। সেগুলো দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি করে টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। প্রতিটি বিষয়ের তদন্ত করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে বিদ্যালয়গুলোতে একদিন অফলাইন, একদিন অনলাইন পাঠদান পদ্ধতি চালু করা যায় কি না, এ বিষয়ে ভাবার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে অনেক শিক্ষক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বাজেটের পর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেযারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী সভা শেষে বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
ঢাকা
চট্টগ্রাম
খুলনা
বরিশাল
রাজশাহী
সিলেট
রংপুর
ময়মনসিংহ
বিনোদন
অনলাইন ডেষ্কঃ
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী দিনে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল অঞ্চলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছে এবং শিগগিরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হবে। শুধু শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাও এর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহছানুল হক বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ নকল করে পার পেতে না পারে। এ জন্য পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিসি ক্যামেরা যাতে বিদ্যুৎ নেই এমন অজুহাতে বন্ধ না রাখতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে আইপিএস সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে পাঠদান কক্ষে শিক্ষকেরা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা–ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফেসবুকে অনেক মেসেজ (বার্তা) পাচ্ছি পরীক্ষা পেছানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিগত সময়ে খাতায় লিখলেও পাস, না লিখলেও পাস—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ হবে। গত বছর পরীক্ষা যেভাবে নিয়মের মধ্যে হয়েছে, এবারও সেই একই নিয়মের মধ্যে হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে পরীক্ষায় আর নকল করা যাবে না। যেহেতু নকল করা যাবে না, তাই তারা এখন পড়াশোনা করেই পরীক্ষার হলে আসবে। এই বার্তা তারা পেয়ে গেছে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বিএনপি সরকারকে শিক্ষাবান্ধব সরকার উল্লেখ করেন এহছানুল হক মিলন। গুণগত শিক্ষা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে এসে সেটা প্রমাণ করেছিল। এবারও সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমাদের ইচ্ছা এ দেশের শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার শুধু দাপ্তরিক কাজের জায়গা নয়, উপসনালয়। আর শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আপনাদেরও সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা খাতে আগে জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্ন বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ধরনের শাস্তিহীনতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শর বেশি উন্নয়ন প্রকল্প করেছে। সেগুলো দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি করে টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। প্রতিটি বিষয়ের তদন্ত করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে বিদ্যালয়গুলোতে একদিন অফলাইন, একদিন অনলাইন পাঠদান পদ্ধতি চালু করা যায় কি না, এ বিষয়ে ভাবার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে অনেক শিক্ষক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বাজেটের পর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেযারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী সভা শেষে বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
রাজনীতি
অনলাইন ডেষ্কঃ
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী দিনে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল অঞ্চলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছে এবং শিগগিরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হবে। শুধু শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাও এর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহছানুল হক বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ নকল করে পার পেতে না পারে। এ জন্য পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিসি ক্যামেরা যাতে বিদ্যুৎ নেই এমন অজুহাতে বন্ধ না রাখতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে আইপিএস সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে পাঠদান কক্ষে শিক্ষকেরা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা–ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফেসবুকে অনেক মেসেজ (বার্তা) পাচ্ছি পরীক্ষা পেছানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিগত সময়ে খাতায় লিখলেও পাস, না লিখলেও পাস—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ হবে। গত বছর পরীক্ষা যেভাবে নিয়মের মধ্যে হয়েছে, এবারও সেই একই নিয়মের মধ্যে হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে পরীক্ষায় আর নকল করা যাবে না। যেহেতু নকল করা যাবে না, তাই তারা এখন পড়াশোনা করেই পরীক্ষার হলে আসবে। এই বার্তা তারা পেয়ে গেছে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বিএনপি সরকারকে শিক্ষাবান্ধব সরকার উল্লেখ করেন এহছানুল হক মিলন। গুণগত শিক্ষা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে এসে সেটা প্রমাণ করেছিল। এবারও সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমাদের ইচ্ছা এ দেশের শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার শুধু দাপ্তরিক কাজের জায়গা নয়, উপসনালয়। আর শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আপনাদেরও সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা খাতে আগে জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্ন বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ধরনের শাস্তিহীনতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শর বেশি উন্নয়ন প্রকল্প করেছে। সেগুলো দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি করে টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। প্রতিটি বিষয়ের তদন্ত করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে বিদ্যালয়গুলোতে একদিন অফলাইন, একদিন অনলাইন পাঠদান পদ্ধতি চালু করা যায় কি না, এ বিষয়ে ভাবার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে অনেক শিক্ষক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বাজেটের পর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেযারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী সভা শেষে বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
লাইফস্টাইল
অনলাইন ডেষ্কঃ
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী দিনে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল অঞ্চলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছে এবং শিগগিরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হবে। শুধু শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাও এর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহছানুল হক বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ নকল করে পার পেতে না পারে। এ জন্য পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিসি ক্যামেরা যাতে বিদ্যুৎ নেই এমন অজুহাতে বন্ধ না রাখতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে আইপিএস সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে পাঠদান কক্ষে শিক্ষকেরা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা–ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফেসবুকে অনেক মেসেজ (বার্তা) পাচ্ছি পরীক্ষা পেছানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিগত সময়ে খাতায় লিখলেও পাস, না লিখলেও পাস—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ হবে। গত বছর পরীক্ষা যেভাবে নিয়মের মধ্যে হয়েছে, এবারও সেই একই নিয়মের মধ্যে হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে পরীক্ষায় আর নকল করা যাবে না। যেহেতু নকল করা যাবে না, তাই তারা এখন পড়াশোনা করেই পরীক্ষার হলে আসবে। এই বার্তা তারা পেয়ে গেছে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বিএনপি সরকারকে শিক্ষাবান্ধব সরকার উল্লেখ করেন এহছানুল হক মিলন। গুণগত শিক্ষা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে এসে সেটা প্রমাণ করেছিল। এবারও সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমাদের ইচ্ছা এ দেশের শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার শুধু দাপ্তরিক কাজের জায়গা নয়, উপসনালয়। আর শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আপনাদেরও সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা খাতে আগে জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্ন বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ধরনের শাস্তিহীনতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শর বেশি উন্নয়ন প্রকল্প করেছে। সেগুলো দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি করে টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। প্রতিটি বিষয়ের তদন্ত করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে বিদ্যালয়গুলোতে একদিন অফলাইন, একদিন অনলাইন পাঠদান পদ্ধতি চালু করা যায় কি না, এ বিষয়ে ভাবার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে অনেক শিক্ষক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বাজেটের পর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেযারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী সভা শেষে বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
স্বাস্থ্য
অনলাইন ডেষ্কঃ
পরীক্ষায় নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সরকার আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী দিনে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হতে পারে। সেই সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস এড়াতে পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল অঞ্চলের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে বর্তমান সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ জন্য পাবলিক পরীক্ষা আইন, ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় তোলা হয়েছে এবং শিগগিরই জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, সংশোধিত আইনে পাবলিক পরীক্ষার সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হবে। শুধু শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নয়, ব্যাংক ও বিভিন্ন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাও এর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এহছানুল হক বলেন, এমন ব্যবস্থা করা হবে, যাতে কেউ নকল করে পার পেতে না পারে। এ জন্য পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সিসি ক্যামেরা যাতে বিদ্যুৎ নেই এমন অজুহাতে বন্ধ না রাখতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনে আইপিএস সংযোজন করা হবে। একই সঙ্গে পাঠদান কক্ষে শিক্ষকেরা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তা–ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি ফেসবুকে অনেক মেসেজ (বার্তা) পাচ্ছি পরীক্ষা পেছানোর জন্য। শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। বিগত সময়ে খাতায় লিখলেও পাস, না লিখলেও পাস—এমন ধারণা তৈরি হয়েছিল। এখন যোগ্যতার ভিত্তিতেই ফলাফল নির্ধারণ হবে। গত বছর পরীক্ষা যেভাবে নিয়মের মধ্যে হয়েছে, এবারও সেই একই নিয়মের মধ্যে হবে। তাই শিক্ষার্থীরা বুঝে গেছে পরীক্ষায় আর নকল করা যাবে না। যেহেতু নকল করা যাবে না, তাই তারা এখন পড়াশোনা করেই পরীক্ষার হলে আসবে। এই বার্তা তারা পেয়ে গেছে। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’ বিএনপি সরকারকে শিক্ষাবান্ধব সরকার উল্লেখ করেন এহছানুল হক মিলন। গুণগত শিক্ষা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব। ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপি সরকারে এসে সেটা প্রমাণ করেছিল। এবারও সেই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমাদের ইচ্ছা এ দেশের শিক্ষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। সে ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আমার শুধু দাপ্তরিক কাজের জায়গা নয়, উপসনালয়। আর শিক্ষকেরা মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে আপনাদেরও সেই দায়িত্ব নিতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা খাতে আগে জিডিপির ১ দশমিক ৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। গত সরকারের আমলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রশ্ন বিক্রির মাধ্যমে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলেও সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী। এ ধরনের শাস্তিহীনতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শর বেশি উন্নয়ন প্রকল্প করেছে। সেগুলো দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি করে টাকা পাচার করা হয়েছে। এখন আর সেই সুযোগ নেই। প্রতিটি বিষয়ের তদন্ত করা হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শী করতে বিদ্যালয়গুলোতে একদিন অফলাইন, একদিন অনলাইন পাঠদান পদ্ধতি চালু করা যায় কি না, এ বিষয়ে ভাবার পরামর্শ দেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিল নিয়ে দীর্ঘদিনের জটিলতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২২ সাল থেকে অনেক শিক্ষক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আগামী বাজেটের পর ধাপে ধাপে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেযারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম, বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান প্রমুখ। শিক্ষামন্ত্রী সভা শেষে বিকেলে বরিশাল সিটি করপোরেশন কার্যালয়ের নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
Category: বরিশাল
Home
বরিশাল
Admin
April 8, 2026
0 sec read
22
নকল রোধে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
Admin
April 8, 2026
0 sec read
14
বরিশাল বিভাগে দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
Admin
April 8, 2026
1 sec read
24
শিগগিরই ভোলা-বরিশাল সেতুর নির্মাণ সময়সূচি ঘোষণা করা হবে: মন্ত্রী রবিউল
Admin
April 8, 2026
1 sec read
21
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন আগামীকাল
Admin
April 8, 2026
5 sec read
16
লোডশেডিং বিভ্রাট ও জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত বরিশাল
Admin
April 7, 2026
1 sec read
43
গৌরনদী উপজেলায় প্রকল্পে ঘুষমুক্ত কার্যক্রম, স্বচ্ছ্বতায় প্রশংসা!
Admin
April 4, 2026
0 sec read
25
জ্বালানি সংকটেও মেসার্স শাওন ফিলিং স্টেশনে মিলছে স্বস্তি!
Admin
April 4, 2026
1 sec read
30
বরগুনা বরিশাল মহাসড়ক চার লেনের দাবি
Admin
April 4, 2026
0 sec read
25
বরিশাল বিভাগে ছড়িয়ে পড়েছে হাম, হাসপাতালে তিল ধারণের ঠাঁই নেই
Admin
April 4, 2026
0 sec read
23
বরিশাল নগরীর ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ
Prev.
1
2
3
4
…
7
Next
Most Read
Popular Post
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(882)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(604)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(561)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(536)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(504)
Admin
February 9, 2026
Weather
Dhaka
haze
30
℃
39º - 25º
humidity:
25%
wind:
8 km/h
34
℃
Tue
34
℃
Wed
34
℃
Thu
35
℃
Fri
36
℃
Sat
36
℃
Sun