Latest post
প্রধান শিক্ষকের দক্ষ নেতৃত্বে বরিশাল জিলা স্কুলে ইতিবাচক পরিবর্তন
ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে দুঃসংবাদ
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, আহত ৩
Popular Posts
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(873)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(598)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(553)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(528)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(498)
Admin
February 9, 2026
Stay Connected
Sun, Apr 12, 2026
TT Ads
হোম
নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সহপাঠ কার্যক্রম জোরদারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একাধিক শিক্ষক জানান, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। অভিভাবকদের একটি অংশও জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে। আমার লক্ষ্য হলো বরিশাল জেলা স্কুলকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তিনি আরও বলেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্থিতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, ইতিবাচক কাজগুলো মূল্যায়ন করে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা স্কুলে শিক্ষা ও প্রশাসনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে-যা ভবিষ্যতে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নেবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এদিকে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমি স্কুলকে এগিয়ে নিতে কতটা চেষ্টা করছি এবং অভিভাবকদের সাথে সম্পর্ক রাখছি অভিভাবক ওয়েটিং কক্ষে জিজ্ঞাসা করলেই তার সত্যতা জানা যাবে। আসলে অভিভাবক চায় তার সন্তানের সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ আর সচেতন মহল চায় ইতিবাচক পরিবর্তন।
জাতীয়
নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সহপাঠ কার্যক্রম জোরদারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একাধিক শিক্ষক জানান, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। অভিভাবকদের একটি অংশও জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে। আমার লক্ষ্য হলো বরিশাল জেলা স্কুলকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তিনি আরও বলেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্থিতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, ইতিবাচক কাজগুলো মূল্যায়ন করে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা স্কুলে শিক্ষা ও প্রশাসনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে-যা ভবিষ্যতে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নেবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এদিকে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমি স্কুলকে এগিয়ে নিতে কতটা চেষ্টা করছি এবং অভিভাবকদের সাথে সম্পর্ক রাখছি অভিভাবক ওয়েটিং কক্ষে জিজ্ঞাসা করলেই তার সত্যতা জানা যাবে। আসলে অভিভাবক চায় তার সন্তানের সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ আর সচেতন মহল চায় ইতিবাচক পরিবর্তন।
আন্তর্জাতিক
নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সহপাঠ কার্যক্রম জোরদারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একাধিক শিক্ষক জানান, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। অভিভাবকদের একটি অংশও জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে। আমার লক্ষ্য হলো বরিশাল জেলা স্কুলকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তিনি আরও বলেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্থিতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, ইতিবাচক কাজগুলো মূল্যায়ন করে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা স্কুলে শিক্ষা ও প্রশাসনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে-যা ভবিষ্যতে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নেবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এদিকে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমি স্কুলকে এগিয়ে নিতে কতটা চেষ্টা করছি এবং অভিভাবকদের সাথে সম্পর্ক রাখছি অভিভাবক ওয়েটিং কক্ষে জিজ্ঞাসা করলেই তার সত্যতা জানা যাবে। আসলে অভিভাবক চায় তার সন্তানের সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ আর সচেতন মহল চায় ইতিবাচক পরিবর্তন।
সারাদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সহপাঠ কার্যক্রম জোরদারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একাধিক শিক্ষক জানান, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। অভিভাবকদের একটি অংশও জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে। আমার লক্ষ্য হলো বরিশাল জেলা স্কুলকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তিনি আরও বলেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্থিতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, ইতিবাচক কাজগুলো মূল্যায়ন করে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা স্কুলে শিক্ষা ও প্রশাসনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে-যা ভবিষ্যতে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নেবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এদিকে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমি স্কুলকে এগিয়ে নিতে কতটা চেষ্টা করছি এবং অভিভাবকদের সাথে সম্পর্ক রাখছি অভিভাবক ওয়েটিং কক্ষে জিজ্ঞাসা করলেই তার সত্যতা জানা যাবে। আসলে অভিভাবক চায় তার সন্তানের সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ আর সচেতন মহল চায় ইতিবাচক পরিবর্তন।
ঢাকা
চট্টগ্রাম
খুলনা
বরিশাল
রাজশাহী
সিলেট
রংপুর
ময়মনসিংহ
বিনোদন
নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সহপাঠ কার্যক্রম জোরদারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একাধিক শিক্ষক জানান, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। অভিভাবকদের একটি অংশও জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে। আমার লক্ষ্য হলো বরিশাল জেলা স্কুলকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তিনি আরও বলেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্থিতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, ইতিবাচক কাজগুলো মূল্যায়ন করে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা স্কুলে শিক্ষা ও প্রশাসনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে-যা ভবিষ্যতে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নেবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এদিকে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমি স্কুলকে এগিয়ে নিতে কতটা চেষ্টা করছি এবং অভিভাবকদের সাথে সম্পর্ক রাখছি অভিভাবক ওয়েটিং কক্ষে জিজ্ঞাসা করলেই তার সত্যতা জানা যাবে। আসলে অভিভাবক চায় তার সন্তানের সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ আর সচেতন মহল চায় ইতিবাচক পরিবর্তন।
রাজনীতি
নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সহপাঠ কার্যক্রম জোরদারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একাধিক শিক্ষক জানান, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। অভিভাবকদের একটি অংশও জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে। আমার লক্ষ্য হলো বরিশাল জেলা স্কুলকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তিনি আরও বলেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্থিতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, ইতিবাচক কাজগুলো মূল্যায়ন করে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা স্কুলে শিক্ষা ও প্রশাসনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে-যা ভবিষ্যতে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নেবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এদিকে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমি স্কুলকে এগিয়ে নিতে কতটা চেষ্টা করছি এবং অভিভাবকদের সাথে সম্পর্ক রাখছি অভিভাবক ওয়েটিং কক্ষে জিজ্ঞাসা করলেই তার সত্যতা জানা যাবে। আসলে অভিভাবক চায় তার সন্তানের সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ আর সচেতন মহল চায় ইতিবাচক পরিবর্তন।
লাইফস্টাইল
নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সহপাঠ কার্যক্রম জোরদারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একাধিক শিক্ষক জানান, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। অভিভাবকদের একটি অংশও জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে। আমার লক্ষ্য হলো বরিশাল জেলা স্কুলকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তিনি আরও বলেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্থিতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, ইতিবাচক কাজগুলো মূল্যায়ন করে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা স্কুলে শিক্ষা ও প্রশাসনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে-যা ভবিষ্যতে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নেবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এদিকে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমি স্কুলকে এগিয়ে নিতে কতটা চেষ্টা করছি এবং অভিভাবকদের সাথে সম্পর্ক রাখছি অভিভাবক ওয়েটিং কক্ষে জিজ্ঞাসা করলেই তার সত্যতা জানা যাবে। আসলে অভিভাবক চায় তার সন্তানের সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ আর সচেতন মহল চায় ইতিবাচক পরিবর্তন।
স্বাস্থ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক বরিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশাল জিলা স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সহপাঠ কার্যক্রম জোরদারে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা, পরীক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একাধিক শিক্ষক জানান, প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং একটি ইতিবাচক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে। অভিভাবকদের একটি অংশও জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ায় বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ক্রীড়া কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সম্ভব সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে। আমি সবসময় চেষ্টা করি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে। আমার লক্ষ্য হলো বরিশাল জেলা স্কুলকে দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তিনি আরও বলেন, কিছু মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, সত্য সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্থিতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, ইতিবাচক কাজগুলো মূল্যায়ন করে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সার্বিকভাবে, প্রধান শিক্ষক মো. নূরুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা স্কুলে শিক্ষা ও প্রশাসনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে-যা ভবিষ্যতে আরও উন্নতির পথে এগিয়ে নেবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এদিকে প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, আমি স্কুলকে এগিয়ে নিতে কতটা চেষ্টা করছি এবং অভিভাবকদের সাথে সম্পর্ক রাখছি অভিভাবক ওয়েটিং কক্ষে জিজ্ঞাসা করলেই তার সত্যতা জানা যাবে। আসলে অভিভাবক চায় তার সন্তানের সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ আর সচেতন মহল চায় ইতিবাচক পরিবর্তন।
Category: বরিশাল
Home
বরিশাল
Admin
April 11, 2026
1 sec read
3
প্রধান শিক্ষকের দক্ষ নেতৃত্বে বরিশাল জিলা স্কুলে ইতিবাচক পরিবর্তন
Admin
April 9, 2026
0 sec read
9
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের নেতৃত্বে উন্নয়ন ও সেবায় নতুন দিগন্ত
Admin
April 9, 2026
2 sec read
10
পাঁচ বছরে বরিশালে তরমুজের আবাদ দ্বিগুণ হয়েছে
Admin
April 9, 2026
3 sec read
12
বরিশাল মহানগরী ফুটপাত রাস্তা ও পার্ক থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণে নগর ভবনের নোটিশ
Admin
April 9, 2026
3 sec read
16
বরিশাল-ভোলা সড়কে হচ্ছে দীর্ঘতম সেতু, দক্ষিণাঞ্চলে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত
Admin
April 8, 2026
2 sec read
9
বরিশালে একই রাতে পৃথক চুরি সংঘটিত, হাসপাতাল রোড ও বান্দরোডে অর্ধকোটি টাকার মালামাল উধাও!
Admin
April 8, 2026
10 sec read
17
স্থানীয় যুব সংগঠন ও কমিউনিটি গ্রুপের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং যুব নেটওয়ার্ক গঠন
Admin
April 8, 2026
1 sec read
18
বরিশাল হার্ট ফাউন্ডেশন ৯ বছর ধরে বন্ধ, বেতন পাচ্ছেন না কর্মচারীরা
Admin
April 8, 2026
0 sec read
16
নকল রোধে পরীক্ষা হলে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
Admin
April 8, 2026
0 sec read
14
বরিশাল বিভাগে দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
1
2
3
…
7
Next
Most Read
Popular Post
কৃষক সুমন কিভাবে সহ কৃষি করেন যানলে যে উপকার হবে নতুন উদ্যোক্তাদের
(873)
Admin
February 9, 2026
বরিশালে বিভাগীয় আন্তঃপ্রতিষ্ঠান বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
(598)
Admin
February 10, 2026
গুপ্ত সংগঠনের ব্যক্তিরা নতুন জালেম রূপে আবির্ভাব হয়েছে : তারেক রহমান
(553)
Admin
February 9, 2026
সৎ নেতৃত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই : চরমোনাই পীর
(528)
Admin
February 9, 2026
বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই বরিশালের উন্নয়ন হয় : সরোয়ারের
(498)
Admin
February 9, 2026
Weather
Dhaka
haze
24
℃
37º - 24º
humidity:
25%
wind:
7 km/h
34
℃
Mon
34
℃
Tue
35
℃
Wed
35
℃
Thu
35
℃
Fri
34
℃
Sat